২৫, সেপ্টেম্বর, ২০১৭, সোমবার | | ৪ মুহররম ১৪৩৯

জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ে আবাসন সুবিধা পেল ৭ শতাধিক ছাত্র

২০ আগস্ট ২০১৭, ০৪:৪০

আরিফুল ইসলাম আরিফ, জাবি প্রতিনিধিঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের নবগঠিত বিশ^কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল নানা সংকট আর সমস্যা দূর করে ছাত্রদের জন্য উন্মুক্ত করা দেওয়া হয়েছে।  কাজ শুরু হওয়ার প্রায় পাঁচ বছর পর গতকাল শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রদের থাকার জন্য চালু করা হয় নতুন এ হলটি।  আর এতে  আবাসন সুবিধা পেয়েছে বিশ^বিদ্যালয়ের প্রায় ৭ শতাধিক ছাত্র । 
হলটিতে বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের ছাত্ররা একত্রে অবস্থান করবেন।  এতে বিশ^বিদ্যালয়ের আল-বেরুনী হল
সম্প্রসারিত ভবনের ১৮০ জন, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষেও (৪৬তম আবর্তন) ২২০ জন এবং বিশ^বিদ্যালয়ের বাকী ৭টি ছেলেদের হল থেকে ৫০ জন করে মোট ৭৩৫ জন ছাত্রের বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে।  তবে এখনও হলটিতে ডাইনিং, ক্যান্টিন, মসজিদ সহ অন্যান্য ব্যবস্থা চালু হয়নি। 
অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় ৫ বছর আগে হলটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।  কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছিল বিশ^বিদ্যালয়ের এসকল শিক্ষার্র্থীরা।  ¯œাতক প্রথম বর্ষের (২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ) ২২০ শিক্ষার্থী আগেই এ হলে বরাদ্ধ পেয়েছিল কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে হলের কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় এসকল শিক্ষার্থীদের অন্যান্য হলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।  হলটিতে ৫২০ আসনের বিপরীতে ৭ শতাধিক শিক্ষার্থীর বরাদ্ধ দেওয়ায় প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা কিছুটা অসুবিধায় পড়েছে। 
এছাড়াও দেশের একমাত্র আবাসিক বিশ^বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন আসন সংকটে থাকলেও নতুন হলটি চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের আসন সংকট অনেকটাই লাঘব হবে।  কেননা নতুন হলটিতে ৭ শতাধিক শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা লাভ করেছে। 
এদিকে নিজেদের নির্ধারিত রুমে আসন/সিট পেয়ে উচ্ছসিত ছাত্ররা বলেন, দীর্ঘদিন পরে হলেও আমরা আমাদের আবাসন সুবিধা পেয়েছি।  যা আমাদের শিক্ষাজীবনকে আরও ত্বরান্বিত করে তুলবে।  তবে হলে এখনও কোন খাবারের ব্যবস্থা নেই এবং অন্যান্ন হলের মত মুদির দোকান, ফটোকফির দোকান চালু হয়নি যা আমাদের কিছুটা দুর্ভোগে ফেলাবে। 
এ সকল বিষয়ে বিশ^কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. অসিত বরণ পাল বলেন, নানা ধরনের প্রতিকূলতা দূর করে সর্বাত্মাক চেষ্টা করে ছাত্রদের আসনের ব্যবস্থা করতে পেরেছি যা সত্যিই আনন্দের।  তবে এখন পর্যন্ত গ্যাস না থাকায় হলে ডাইনিং, ক্যান্টিনের ব্যবস্থা করতে পারিনি।  উপাচার্য়ের সাথে কথা হয়েছে, খুব দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান করা হবে। 
প্রসঙ্গত জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ে বর্তমানে ছেলে এবং মেয়েদের ৮টি করে মোট ১৬টি হল রযেছে, যেখানে প্রায় ১০হাজার শিক্ষার্থীর আসন ব্যবস্থা রয়েছে।