২৪, নভেম্বর, ২০১৭, শুক্রবার | | ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

ঢাবিতে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রতি আসনে লড়বে ৩৯ জন

২৯ আগস্ট ২০১৭, ১১:৫৯

২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি আসনে লড়বে ২৯ জন শিক্ষার্থী।  মঙ্গলবার রাত ১০ টায় অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শেষ হয়েছে।   উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে এ আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত করেন। 

সাত হাজার ১২৩টি আসনের বিপরীতে এ বছর পাঁচটি ইউনিটে আবেদন জমা পড়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৫টি।  এবার ভর্তিযুদ্ধে আসনপ্রতি লড়বেন ৩৯ শিক্ষার্থী। 

ভর্তির
আবেদন প্রক্রিয়া বন্ধ ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. হাসিবুর রশীদ, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং ভর্তি পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। 

এদিকে যেসকল শিক্ষার্থী এখনো ব্যাংকে ফি জমা দিতে পারেনি তারা বুধবার (৩০ আগস্ট) পর্যন্ত টাকা জমা দিতে পারবেন।  গ’ ও চ’ ইউনিটের প্রবেশপত্র ডাইনলোড করা যাবে ৩০ আগস্ট বিকেল ৩টা থেকে পরীক্ষার দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত।  আর  ১২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা থেকে পরীক্ষার দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত ক’, খ’ এবং ঘ’ ইউনিটের প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।  এছাড়া আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ওয়েবসাইট http://admission.eis.du.ac.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। 

উল্লেখ্য, খ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২২ সেপ্টেম্বর, চ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) ১৫ সেপ্টেম্বর এবং অঙ্কন ২৩ সেপ্টেম্বর, গ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৫ সেপ্টেম্বর, ক-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৩ অক্টোবর, ঘ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। 

ভর্তি পরীক্ষায় সবধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ও ক্যালকুলেটর ব্যাবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।  এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় ক্যালকুলেটরসহ সবধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস নিষিদ্ধ বলে গণ্য হবে।  জালিয়াতি এড়াতে বরাবরের মতো ভ্রাম্যমাণ আদালত দায়িত্ব পালন করবে।  যদি কোনো শিক্ষার্থী কোনো ধরনের অনিয়ম করে থাকে তাহলে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি দেয়া হবে।  তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের প্রতিটি কেন্দ্রে জালিয়াতি বন্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন।