২৬, সেপ্টেম্বর, ২০১৭, মঙ্গলবার | | ৫ মুহররম ১৪৩৯

দেখে-শুনে ঠিক হয়েছিল বিয়ে, এরপর কি করল মেয়ে

১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১০:২২

দেখে শুনেই ঠিক হয়েছিল বিয়ে।  বিয়ে ঠিক হওয়ার পর দুজনের মাঝেই চলছিল প্রেম।  কিন্তু হঠাৎই বেকে বসে পাত্রী।  আর হবু বউয়ের এই সিদ্ধান মেনে নিতে পেরে আত্মহত্যাই করলেন যুবক।  


ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জের দেবীনগরে।  জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিবাকর বর্মন (৩০)।  সম্বন্ধ দেখেই মাস তিনেক আগে বালুরঘাটের একটি মেয়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে ঠিক হয়।  বিয়েতো কোনও যৌতুকই দাবি করেনি পাত্রপক্ষ।  শুধু দিবাকরের পরিবার চেয়েছিল, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিয়ে পর্ব মেটানো
হোক।  


অতঃপর দুই পক্ষের মধ্যস্থতায় চলতি বছরের নভেম্বরে তাঁদের বিয়ে ঠিক হয়।  ইতিমধ্যেই দিবাকরের সঙ্গে মেয়েটির আলাপ জমে ওঠে ফোনে।  কথাবার্তা দিব্যি চলছিল।  কিন্তু আচমকাই বেঁকে বসেন পাত্রী।  তিনি জানিয়ে দেন, দিবাকরকে বিয়ে করবেন না।  কী কারণ খোলসা করে জানাননি। 


এর পরেই মানসিক অবসাদে ভুগতে শুরু করেন দিবাকর।  শেষমেশ চাপ সহ্য করতে না পেরে এদিন ভোরে চরম সিদ্ধান্তটি নিয়ে নেন তিনি।  মায়ের শাড়ি গলায় দিয়ে আত্মহত্যা করেন দিবাকর।  তাঁর সুইসাইড নোট থেকে জানা গিয়েছে, হবু স্ত্রীকে ভালোবেসে ফেলেন দিবাকর।  কোনও কারণ ছাড়াই হঠাৎ সম্পর্ক ভেঙে‌ যাওয়াটা মেনে নিতে পারেননি তিনি।  হবু স্ত্রীকে না পেয়ে জীবন কাটানোর চেয়ে পৃথিবীতে না থাকাই ভাল মনে করেছেন।  তাই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন।  তবে আত্মহত্যার জন্য কাউকেই দায়ী করেননি দিবাকর।