১৮, ডিসেম্বর, ২০১৭, সোমবার | | ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

নানান সমস্যায় জর্জরিত বেলোয়া উচ্চ বিদ্যালয়

১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৫:৩৩

আবু জাফর সিদ্দিকী,নাটোর থেকেঃ নাটোরের সিংড়া উপজেলার বেলোয়া উচ্চ বিদ্যালয় নানা সমস্যায় শিক্ষার পরিবেশ ব্যহত হচ্ছে।  গাদাগাদি করে জরাজীর্ন ভবনে ক্লাস করছে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী । দুটি এক তলাবিশিষ্ট ভবনে ফাটল ধরেছে।  প্রধান শিক্ষকের আলাদা অফিস নাই,একই আটসাট কক্ষে প্রধানশিক্ষক,সহকারীশিক্ষক এবং অফিসিয়াল কার্যক্রম চলছে।  বিগতদিন থেকে স্কুলের ফলাফল শতভাগ পাশ করে আসছে।  কিন্তু শ্রেনী কক্ষ সংকটে বিদ্যালয়টি নিজেই রোগী।  
জানাযায়, ১৯৬৫ সালে বিদ্যালয়টি
প্রতিষ্টিত হয়।  সুকাশ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত।  এখানে অধ্যয়নরত রয়েছে শতাধিক আদিবাসি শিক্ষার্থী।  দুটি একতলাবিশিষ্ট ভবন রয়েছে দুটিই চলাচলের অনুপযোগি।  বিদ্যালয়ের ৪ টি শ্রেনীকক্ষ রয়েছে ৪ টিতে ফাটল ধরেছে।  একটি কক্ষে কম্পিউটার ল্যাব ,অফিসকক্ষ, প্রধান শিক্ষক কক্ষ এবংশিক্ষকবৃন্দ বসার স্থান রয়েছে।  
মেয়েদের কমন রুম নাই, পরিত্যক্ত মাটির ঘরে কমন রুম করা হয়েছে, যেখানে ২ শতাধিক ছাত্রীদের দাড়িয়ে থাকতে হয়।  তাদের জন্য আলাদা কোন কমন রুম কিংবা টয়লেট নাই।  একটি টয়লেট রয়েছে, ৫শতাধিক শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করতে হয়।  শেখরাসেল কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে।  যেখানে ছাত্রছাত্রীরা আটসাটভাবে কম্পিউটার পরিচালনা করে থাকে।  
বেলোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রতিষ্ঠানের সুনাম রয়েছে, বিগত দিন থেকে শিক্ষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় শতভাগ পাশ।  কিন্তু শ্রেনী কক্ষ সংকট আছে।  যার কারনে কোন কোন ক্লাস ২০ মিনিট নিতে হয়।  তাছাড়া সরকারীভাবে ভবন দুটি পরিত্যক্ত ঘোষনা করা হয়।   তারপরে ও ঝুকিপূর্ন ভবনে পাঠদান করা হচ্ছে।  ছাত্রীদের কমন রুম না থাকায় মাটির ঘরে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। 
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ইসমাইল মল্লিক বলেন, সুকাশের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান এটি।  নতুন ভবন খুবই জরুরী।  মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপিকে বিষয়টি বলা হয়েছে, তিনি আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।  আশাকরি দ্রুত আমরা তাঁর প্রতিফলন দেখতে পারবো।