২৪, নভেম্বর, ২০১৭, শুক্রবার | | ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলার রায় আজ

২৯ অক্টোবর ২০১৭, ০৮:৫৯

বারবার প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।  ৭৫ আগষ্টে বেঁচে যাওয়া এরপরও অনেকবার মৃত্যুর হাত থেকে তিনি রক্ষা পেয়েছেন।  এর ধারাবাহিকতায় রাজধানীর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে পৈতৃক বাড়িতে শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা করা হয়।  সেদিনের হত্যা চেষ্টার অভিযোগে করা বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হবে। 

গত ১৬ অক্টোবর ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল কবির এ দিন ধার্য করেন। 

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক
প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু সাংবাদিকদের জানান, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছেন।  পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের অস্থায়ী এজলাসে একই বিচারক মো. জাহিদুল কবির একই ঘটনায় দায়ের করা দণ্ডবিধির আরেকটি মামলায় রায় ঘোষণার জন্য আজ দিন ধার্য করেছেন। 

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়।  তিনি তখন ওই বাসাতেই থাকতেন এবং ঘটনার সময় ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। 

এ ঘটনায় বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন। 

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিতে গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায়। 

পরবর্তী সময়ে মামলাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ১১ জনকে অভিযুক্ত করে দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক আইনের দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। 

মামলার আসামিরা হলেন—গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ, গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হোমায়েন কবির, মো. শাজাহান বালু, লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহমেদ ও এইচ কবির। 

আসামিদের মধ্যে প্রথম চারজন কারাগারে, শেষের তিনজন পলাতক এবং অপর আসামিরা জামিনে রয়েছেন। 

২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।