২৪, নভেম্বর, ২০১৭, শুক্রবার | | ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

জামার পিছনের লুপের রহস্য কী? জেনেনিন

৩১ অক্টোবর ২০১৭, ০৩:৪৮

আমরা দেখেছি জামার পিছনে একটি লুপ থাকে।  কিন্তু ওই লুপটি কি কাজ করে তা আমাদের জানা নেই।  আজ জেনে নিন জামার পিছনের লুপের রহস্য!

ভালো ব্র্যান্ডের শার্টের পেছনে ছোট্ট লুপটি দেখা যায়।  অনেকেই তার নাম পর্যন্তও জানেন না।  কেনো এই লুপ ছেলেদের জামায় রাখা হয়, তাও আমাদের মধ্যে অনেকের কাছেই অজানা বিষয়।  এই লুপ শুধুই কি ফ্যাশন? নাকি এর অন্য কোনো কার্যকরিতাও রয়েছে?

মূলত কাজে লাগে না বলেই অধিকাংশ ছেলেরা এই লুপের কথা ভুলেই থাকেন।  তবে একটা বিশেষ প্রয়োজনেই
এই লুপের সূত্রপাত ঘটেছে বলে একটি খবরে প্রকাশ পেয়েছে।  বর্তমানে ছেলেদের ফ্যাশনে বহু বিবর্তন হয়েছে।  ছয়ের দশক হতে এই লুপ ছেলেদের জামার অত্যাবশ্যকীয় অংশ হিসেবে এসেছে।  তবে কেনো এই লুপের ব্যবহার?

জানা গেছে, এই ধরনের লুপকে বলা হয় লকার লুপ।  মূলত ইস্ট কোস্ট নাবিকদের জন্যই পোশাকে এই বিশেষ অংশটির সংযোজন করা হয়েছিল।  তাদেরকে দিনের পর দিন সমুদ্রে কাটাতে হতো।  জামা পরিষ্কার করে হ্যাঙ্গার ছাড়াই এই লুপের সাহায্যে তারা ঝুলিয়ে দিতেন যে কোনো তারে।  তাতেই শুকাতো তাদের জামা।  তাছাড়া এই লুপটি এমন অবস্থানে থাকে, এইভাবে জামা ঝুলিয়ে রাখলে তাতে ভাঁজও পড়ে না, অর্থাৎ আইরণ করার প্রয়োজন পড়ে না।  যে কারণে পরদিন আবার ওই পোশাকই পরতে পারতেন নাবিকরা।  অনেক সময় জাহাজের হুকেই জামা ঝুলিয়ে রাখতেন নাবিকরা। 

জানা গেছে যে, মূলত এইসব সুবিধার জন্যই লুপের আবিষ্কার।  তবে নাবিকদের কার্যকারিতা টপকে তা উঠে আসে স্থলভূমিতে।  ফ্যাশন জগতে এই বিষয়টি রীতিমতো হলুস্থুল লাগিয়ে দেয়।  তবে নাবিকদের সেই প্রয়োজন এতদিনে ফুরিয়েছে।  তবে ফ্যাশনের জগত হতে এই লুপের বিদায় হয়নি।  তাই আজও ছেলেদের পোশাকে থাকে এই লকার লুপসটি।  এটি ফ্রুট লুপস বলেও তা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।  জানা গেছে, আধুনিক সময় ছেলেদের রিলেশনশিপ স্ট্যাটাসও নির্ধারণ করে এই ফ্রুট লুপটি। 

আরও পড়ুন....

সুখী হওয়ার গোপন রহস্য: আইনস্টাইনের সেই চিরকুট নিলামে!

সুখী হওয়ার গোপন রহস্য লিখা আইনস্টাইনের সেই চিরকুটটি নিলামে উঠেছে! সম্প্রতি আইনস্টাইনের সেই নোটটি জেরুজালেমে নিলামে উঠতে চলেছে। 

পৃথিবীতে এমন অনেকেই রয়েছেন যারা জীবনে সফল, তবে সুখী নন।  অ্যালবার্ট আইনস্টাইন তা নিয়ে ৯৫ বছর পূর্বে নিজের ভাবনা জানিয়ে বলেছিলেন, সুখের প্রকৃত সংজ্ঞা কী এবং কীভাবে জীবনে সুখী হওয়া যায়। 

কোনও বিশাল আকারের থিওরিতে নিজের সেই কথা কখনও প্রকাশ করেননি তিনি।  মাত্র দু’চার লাইনের একটি ছোট্ট নোটের মধ্যমেই ‘সুখ’ সম্পর্কে বলেছিলেন এই মহাবিজ্ঞানী।  ডেইলি মেইল-এ প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি আইনস্টাইনের সেই নোটটি জেরুজালেমে নিলামে উঠতে চলেছে। 

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন বলা হয়েছে, জাপানের একটি লেকচার ট্যুরে গিয়ে ১৯২২ সালে তিনি এই নোটটি লিখেছিলেন।  টোকিও শহরের একটি কুরিয়ার সংস্থার পিওনকে হাতে লেখা এই চিরকুটটি দিয়েছিলেন নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী। 

শোনা যায় যে, টোকিওর ইম্পিরিয়াল হোটেলে বক্তৃতা দেওয়ার সময় জাপানি ওই কুরিয়ার সংস্থাটি মহাবিজ্ঞানীর কাছে তার নোবেল জয়ের খবর পৌঁছে দেয়।  সেই সময় ওই কুরিয়ার সংস্থার ডেলিভারি বয়কে খুশি হয়ে তিনি টিপসও দিতে চেয়েছিলেন।  তবে কোনও টাকা নিতে চাননি ডেলিভারি বয়।  তখন ছোট্ট একটি চিরকুটে নিজের হাতে দু’টি লাইন লিখে তাকে উপহার দিয়েছিলেন আইনস্টাইন। 

আবার শোনা যায়, টিপস দেওয়ার মতো খুচরা পয়সা কাছে না থাকায় ওই লাইন দু’টি লিখে দিয়েছিলেন আইনস্টাইন!

অবশ্য বিষয়টি নিয়ে মত বিরোধ থাকলেও চিরকুটের লেখাটি যে ভীষণ দামি, সেটি স্বীকার করে নেন সকলেই। 
ওই চিরকুটে লেখা ছিল, ‘একটি শান্ত ও শালীন জীবনের মধ্যেই সুখের প্রকৃত চাবিকাঠি লুকিয়ে।  সাফল্যের পেছনে ক্রমাগত ছুটলে কেবলমাত্র অস্থিরতাই ধরা দেবে। ’ অন্য একটি লাইনে লেখা ছিল, ‘যদি ইচ্ছে থাকে, তবে উপায় বের হবেই। ’