২২, নভেম্বর, ২০১৭, বুধবার | | ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

বিপাকে পরলেন সাকিব!

১৫ নভেম্বর ২০১৭, ০২:৪২


বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগ খেলার ব্যাপারে কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।  এখন থেকে বছরে মাত্র দুটি অনাপত্তিপত্র বা এনওসি অনুমোদন করবে সংস্থাটি, এমনটাই জানিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। 

অথচ, দিনদিন বাইরের বিশ্বে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের চাহিদা বাড়ছে।  একই সাকিবই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল), পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল), ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) খেলেন। 
কখনো বিগ ব্যাশেও ডাক আসে তার।  এর বাইরে শিগগিরই দুবাইয়ে টি-টেন ক্রিকেটেও দেখা যাবে তাকে। 

নিজামউদ্দিন চৌধুরী জানান, খেলোয়াড়দের ফিট রেখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য তৈরি রাখার জন্যই বিসিবি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  তিনি বলেন, ‘সার্বিক দিক বিবেচনা করেই আমরা এই সিদ্ধান্তটি নিয়েছি।  আমাদের পরবর্তী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটসূচিতে খুব বেশি ম্যাচ, তার ওপর ক্রিকেটারদের পর্যাপ্ত বিশ্রামের ব্যাপারও আছে।  এর সঙ্গে জড়িত খেলোয়াড়দের ইনজুরি ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও।  আমরা চাই আন্তর্জাতিক খেলার সময় আমাদের সেরা খেলোয়াড়দের সবাইকে পেতে।  তাই বছরে দুটির বেশি বিদেশি লিগে খেলতে দেওয়া হবে না কাউকেই। ’

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাজে পারফরম্যান্সের কারণ হিসেবে বিসিবি এসব টুর্নামেন্টে ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণকে কারণ হিসেবে দেখছে।  এর আওতায় টি-টেন ক্রিকেটও পড়বে বলে জানান বিসিবির প্রধান নির্বাহী। 

তিনি বলেন, ‘কেউ যদি একই বছরে টি-টেন টুর্নামেন্টও খেলে, তাহলে সে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টও খেলতে পারবে একটি।  কেউ ইংল্যান্ডে গিয়ে কাউন্টি ক্রিকেটে দীর্ঘ পরিসরের ম্যাচ খেললে তার জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।  ক্রিকেটারদের যে চিঠিটা আমরা দিয়েছি, তাতে এসব কিছুরই উল্লেখ আছে। ’

সাকিব ছাড়াও বিদেশি লিগগুলোতে তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের ভাল কদর আছে।  বিসিবির এই সিদ্ধান্ত কতটা দেশের ক্রিকেটের জন্য সুফল বয়ে আনে এখন সেটাই দেখার বিষয়। 

যদিও এমন নিষেধাজ্ঞা ক্রিকেটে নতুন নয়।  বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) কখনোই দেশের কোনো ক্রিকেটারকে বিদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলতে এনওসি দেয়না।  আর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চুক্তির আওতায় থাকাদের আইপিএল খেলতে দেয় না।  একই কারণে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) একটি আসরে ছিলেন না পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা।