১৯, নভেম্বর, ২০১৭, রোববার | | ২৯ সফর ১৪৩৯

এমন চুরি কিভাবে সম্ভব?

১৫ নভেম্বর ২০১৭, ০৯:৩২

টানা দু’দিন বন্ধ থাকার পর সোমবার ব্যাঙ্ক খুলতেই তাজ্জব হয়ে যান কর্মীরা।  লকার রুমের অনেকগুলো লকার ভাঙা।  আর মেঝেতে একটা বড়সড় গর্ত! কী ভাবে এল এই গর্ত? গর্তের উৎস খুঁজতে গিয়েই চোখ কপালে মুম্বই পুলিশের দুঁদে অফিসারদের। 

পাঁচ-পাঁচটি দোকানের নীচে দিয়ে ৫০ ফুট লম্বা সুড়ঙ্গ কেটে ব্যাঙ্কে ঢুকে এ ভাবেই বিপুল টাকা-গয়না লুঠ করল ডাকাতেরা।  টানা দু’দিন বন্ধ থাকার পর সোমবার ব্যাঙ্ক খুলতেই ওই বিষয়টি নজরে পড়ে কর্মচারীদের।  ঘটনাটি ঘটেছে নভি মুম্বইয়ে
ব্যাঙ্ক অব বরোদার জুইনগর শাখায়।  পুলিশ এই ডাকাতির ঘটনার তদন্ত করছে।  এখনও পর্যন্ত কেউ ধরা পড়েনি। 

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার ব্যাঙ্ক বন্ধ হওয়ার পর থেকে রবিবারের মধ্যে এই ডাকাতি ঘটেছে।  কারণ, শনি এবং রবিবার ব্যাঙ্ক ছুটি ছিল।  সোমবার ব্যাঙ্কের লকার রুমে ঢুকে নিরাপত্তারক্ষীরা দেখেন, ২২৫টি লকারের মধ্যে ২৭টি লকার ভাঙা।  গয়না এবং নগদ টাকা উধাও সেগুলো থেকে। 

পুলিশ জানিয়েছে, এই সুড়ঙ্গটা ৫০ ফুট লম্বা।  যারা ডাকাতি করেছে, তারা মে মাস থেকে ব্যাঙ্কের কাছেই একটি দোকান ভাড়া নিয়ে থাকত।  ব্যাঙ্কের উপরে নজর রাখার জন্যই তারা এই দোকানটি ভাড়া নিয়েছিল।  সেই বাড়ি থেকেই সুড়ঙ্গ খুঁড়তে শুরু করে তারা।  পাঁচ-পাঁচটি দোকানের নীচে দিয়ে সেই সুড়ঙ্গ গিয়ে ওঠে সোজা ব্যাঙ্কের লকার রুমে। 

পুলিশ জানিয়েছে, মাটির নীচে দিয়ে সুড়ঙ্গ কেটে, পাঁচটি দোকান পেরিয়ে ঠিক ব্যাঙ্কের লকারে যাওয়াটা মোটেই সহজ ব্যাপার নয়।  মাটির নীচের এবং একই সঙ্গে ব্যাঙ্কের ভিতরের ম্যাপটাও তাদের কাছে পরিষ্কার হওয়া দরকার।  যারা এই কাজে যুক্ত, তারা কোনও ভাবে ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত কি না তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।