১৮, ডিসেম্বর, ২০১৭, সোমবার | | ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

এবার সৌদির দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী আল-আমৌদি গ্রেপ্তার

২৪ নভেম্বর ২০১৭, ০৯:১২

সৌদিতে গ্রেফতার আতঙ্ক থামছে না।  একের পর এক দেশটির শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করছে নতুন প্রিন্স।  রাজতন্ত্রের রোষানলে অনেকেই গ্রেফতার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠছে।  দেশসেরা এসব ধনী ব্যক্তিদের আটক বা গ্রেফতার করে বাদশা আসলে কি দুনীর্তি দমন করতে চান নাকি অন্য রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তা জনমনে এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। 

হঠাৎ করে কেনই বা এতগুলো প্রিন্সকে গ্রেফতার করা হচ্ছে।  দুনীর্তি দমনের নামে সাড়াশি অভিযানে মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রতিপক্ষদের কে
হয়রানীর ও অভিযোগ উঠেছে।  যাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে তাদের বিরোদ্ধে সুনিদির্ষ্ট অভিযোগ ছাড়াই গ্রেফতার করা হচ্ছে বলেও খবর আসছে। 
 
মিডল ইস্ট মনিটর এর প্রতিবেদনে জানানো হয় সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে এবার আটক হলেন দেশটির দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী মোহাম্মদ হুসেন আল-আমৌদি।   

সৌদির দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি হলেও আল-আমৌদি ইথিওপিয়ারও নাগরিক।  চলতি মাসের শুরুর দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে খবর ছড়িয়ে পড়েছে।  সৌদি আরবের শীর্ষ ধনী প্রিন্স আল-ওয়ালিদ বিন তালালের পরই সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক মোহাম্মদ হুসেন আল-আমৌদি। 

ইথিওপিয়ায় কৃষি খাত ও হোটেল ব্যবসা থেকে শুরু করে মহাকাশ গবেষণা পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি খাতেই বিনিয়োগ রয়েছে ‘দ্য শেখ’ নামে পরিচিত আল-আমৌদির।  আফ্রিকার দ্রুত উন্নয়নশীল এই দেশে তার বিনিয়োগ ঠিক কত, তা ধারণা করা কঠিন। 

বিশ্লেষকের মতে, ইথিওপিয়ায় আল-আমৌদি ৩৪০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছেন, যা দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৪ দশমিক ৭ শতাংশ। 

২০১৩ সালে পরিচালিত শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, ইথিওপিয়ায় এই ধনকুবের সৌদি নাগরিকের যে প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে, সেগুলোয় ১ লাখের মতো মানুষ কাজ করেন।  দেশটির বেসরকারি খাতে মোট কর্মজীবী মানুষের সংখ্যার তুলনায় এই সংখ্যা ১৪ শতাংশ। 

ইথিওপিয়ার শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রচ্ছদে আল-আমৌদি গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ করা হয়েছে।