১৫, ডিসেম্বর, ২০১৭, শুক্রবার | | ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

ধূমপান নিয়ে ১১টি প্রশ্নের উত্তরে যা বলল ১৯০০ কিশোর কিশোরী

০৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ১১:১৭

ধূমপান বিরোধী প্রচার যতই বাড়ুক ভারতে তা বাড়ছেই।  স্কুল পড়ুয়া থেকে চাকরিজবীবী সবার মধ্যেই বাড়ছে আসক্তি।  ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের হিসেব বলছে প্রতি বছর ধূমপানের কারণে মৃত্যু হয় কমপক্ষে ৭০ লাখ মানুষের।  এর ৬০ লাখ মানুষ সরাসরি ধূমপান করে।  বাকিরা প্যাসিভ স্মোকার। 

এমন পরিস্থিতিতে সমীক্ষা চালিয়ে জানতে চাওয়া হল ধূমপান নিয়ে টিন এজারদের চিন্তা ভাবনা কী? বিড়ি, সিগারেটে আসক্তি কেন? এসব জানতেই সম্প্রতি একটি সমীক্ষী চালায় ফর্টিস হেলথ কেয়ারের
ডিপার্টমেন্টাল অফ মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড বিহ্যাভেরিয়ল সায়েন্সেস। 


 দিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, চণ্ডীগড়, জয়পুর, কলকাতা এবং চেন্নাই শহরের ১৯০০ কিশোর, কিশোরীর উপরে সমীক্ষাটি চালানো হয়।  মোট ১৩টি প্রশ্ন করা হয় তাঁদের।  দেখে নেওয়া যাক শতাংশের হিসেবে কী মিলেছে সমীক্ষার জবাবে?

• ৮৯ শতাংশের দাবি বাবা, মা ধূমপান করলে তারাও করতে পারে। 

• ৮৭ শতাংশের বিশ্বাস অভিনেতাদের ধূমপান করতে দেখে তারা প্রেরণা পায়। 

• ৮৫ শতাংশ মনে করে জীবনে কম করে একবার অভিজ্ঞতাটা হওয়া দরকার। 

• ৭৮ শতাংশ জানিয়েছে স্কুলে কাউকে না কাউকে ধূমপান করতে দেখেছে। 

• ৭৮ শতাংশ মনে করে সেলেবরা এর বিরুদ্ধে প্রচার করলে কাজে লাগবে। 

• ৭৫ শতাংশ মনে করে বন্ধুরা অফার করলে ‘না’ বলা যায় না। 

• ৬৩ শতাংশ বিশ্বাস করে ‘ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর’ লেখা আদৌ কোনও কাজ করে না। 

• ৫৩ শতাংশ মনে করে ধূমপান স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। 

• ৫২ শতাংশ মনে করে ধূমপান মনোসংযোগ বাড়াতে সহকারী। 

• ৪৬ শতাংশ মনে করে নিজেকে স্মার্ট প্রমাণ করার ক্ষেত্রে ধূমপান সাহায্য করে। 

• ১৯ শতাংশ মনে করে কোনও কাউন্সেলরের সঙ্গে কথা বলে এই আসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।   সুত্র- এবেলা