১৬, জানুয়ারী, ২০১৮, মঙ্গলবার | | ২৮ রবিউস সানি ১৪৩৯

অবশেষে বাড়ানো হল সরকারী চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা

২৯ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৮:০২

এই নিয়ে চলেছিলো ব্যাপক আন্দোলন। যাদের বয়েসেই ৩০ পেরিয়ে যায় তাদেররেই চলে যায় সরকারী চাকুরীতে প্রবেশের সুযোগ।  অবশেষে সেই সুযোগ এখন আরো বেড়ে গেল।  সরকারী চাকুরিতে বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।  সেটি বাড়িয়ে করা হবে ৩৫ এ।  আর বাড়ানো হচ্ছে অবসরে যাওয়ার বয়সও।  অবসরের বয়স কমপক্ষে ৩ বছর বাড়িয়ে ৬২ বছর করা হতে পারে। 

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।  অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার কাছে সরকারি চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করে নোট দেয়ায় নতুন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নড়েচড়ে বসেছে।  এছাড়া সরকার ষাটোর্ধ্ব বয়সিদের সিনিয়র সিটিজেন ঘোষণা করলেও নতুন করে সিনিয়র সিটিজেনের বয়সসীমা ৬৫ করার পক্ষে মত দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। 

অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেয়া নোটে উল্লেখ করেন, আমাদের দেশে সরকারি চাকরির বয়সসীমা ৫৯ বছর।  এ বিষয়টি আমাদের ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী ছিল ৫৮ বছর।  ব্রিটিশ আমলে ছিল ৫৫ বছর।  ’৭২ সালে আমাদের দেশে মানুষের জীবনসীমা ছিল মাত্র ৫৮ বছর।  এসব কিছু বিবেচনা করলে আমাদের দেশে সরকারি চাকরিতে অবসরের বয়সসীমা আরও তিন বছর বাড়িয়ে ৬২ বছর করা যায়।  অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আমাদের জীবনসীমা বর্তমানে ৭০ বছরের বেশি।  এ অবস্থায় আমাদের সিনিয়র সিটিজেনের বয়সসীমা ৬৫ বছর নির্ধারণ করা যথাযথ হবে বলে আমি মনে করি।  অর্থমন্ত্রীর ওই নোটে আরও উল্লেখ করেন, আমরা ৬০ বছরের বেশি বয়সি নাগরিকদের সিনিয়র সিটিজেন হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছি।  এসব সিটিজেনের জন্য আমরা এখনও তেমন বিশেষ সুবিধা দিতে পারছি না।  তবে তাদের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ সুবিধা প্রদানের সরকারি চিন্তাভাবনা রয়েছে।  মূলত অর্থমন্ত্রী এ নোট প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপনের পরই সরকারি চাকরি থেকে অবসরের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে নড়েচড়ে বসেছেন সংশ্লিষ্টরা।