১৭, জানুয়ারী, ২০১৮, বুধবার | | ২৯ রবিউস সানি ১৪৩৯

পৃথিবীতে প্রায় ৬০০ কোটি মানুষের কতজন মুসলমান ?

৩০ ডিসেম্বর ২০১৭, ১২:০৩

যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর শক্তিমান রাষ্ট্র, যার ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর অনেক রাষ্ট্রের নীতির পরিবর্তন ঘটে।  আমাদের দেশের নীতিনির্ধারকেরাও অনেকে আমেরিকার আন্ডার সেক্রেটারিকে দেখলেও যেন জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।  বিগত কয়েক বছরের কার্যকলাপে মনে হয়েছে, ওরাই আমাদের ভাগ্যবিধাতা।  বাংলাদেশের দুই বড় প্রতিদ্বন্দ্বী দলের দূতিয়ালি করেন আমেরিকার কর্মচারীরা।  সাদা চামড়া দেখলেই আমরা তাদের সম্মান না করলে যেন ভদ্রতা আর থাকে না।  অথচ ওদের মতো বর্বর জাতি পৃথিবীতে কমই আছে। 
মুক্তিযুদ্ধের সময় বর্বর পাকিস্তানিরা যখন নির্বিচারে বাঙালিদের হত্যা করে তখন আমেরিকা এই গণহত্যার প্রতিবাদ তো দূরের কথা, বরং পাকিস্তানকে সমর্থন দিয়েছে।  পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টির মূল কারিগর আমেরিকাসহ পশ্চিমা পরাশক্তিরা।  ইহুদি প্রভাবিত আমেরিকা আফগানিস্তান দখল করেছে।  ইরাককে ধ্বংস করেছে।  মুসলমানদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পেছনে তাদের ভূমিকাই অগ্রগণ্য।  অথচ তাদের প্রতি মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানদের মনোভাব খুবই দুঃখজনক।  যে সৌদি আরব ইহুদিদের বিরুদ্ধে বিশ্ব মুসলিমকে নেতৃত্ব দেয়ার কথা ছিল, তারাও আজ ইহুদি আমেরিকার ঘনিষ্ঠ হতে ব্যস্ত।  তারা এখন আমেরিকান সংস্কৃতির দিকে ঝুঁকছে।  অনেক আরব রাষ্ট্রের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও নিরাপত্তায় আমেরিকার প্রভাব রয়েছে।  আইএস সৃষ্টি এবং প্রকারান্তরে জঙ্গি বানিয়ে মুসলমানদের বিশ্বদরবারে সন্ত্রাসী হিসেবে প্রতিষ্ঠার পেছনে মূল কারিগর আমেরিকা।  খোদ আমেরিকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বলেছেন, আইএস আমেরিকার সৃষ্টি।  মুসলমানদের প্রকাশ্য শত্রু ইহুদি।  পরম করুণাময় আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআন শরিফে ২২টি আয়াতে ইহুদিদের সম্পর্কে সাবধান করেছেন, যা এখানে উল্লেখ করা হলো। 

সূরা আল বাকারাহ (আয়াত : ৬২)- নিঃসন্দেহে যারা মুসলমান হয়েছে এবং যারা ইহুদি, নাসারা ও সাবেইন, (তাদের মধ্য থেকে) যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামত দিবসের প্রতি এবং সৎ কাজ করেছে, তাদের জন্য রয়েছে এর সওয়াব তাদের পালনকর্তার কাছে।  আর তাদের কোনোই ভয়ভীতি নেই, তারা দুঃখিতও হবে না।  সূরা আল বাকারাহ (আয়াত : ১১১)- ওরা বলে, ইহুদি অথবা খ্রিষ্টান ছাড়া কেউ জান্নাতে যাবে না।  এটা ওদের মনের বাসনা।  বলে দিন, তোমরা সত্যবাদী হলে প্রমাণ উপস্থিত করো। 

সূরা আল বাকারাহ (আয়াত : ১১২)Ñ হ্যাঁ, যে ব্যক্তি নিজেকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে সমর্পণ করেছে এবং সে সৎকর্মশীলও বটে, তার জন্য তার পালনকর্তার কাছে পুরস্কার রয়েছে।  তাদের ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।  সূরা আল বাকারাহ (আয়াত : ১১৩)­- ইহুদিরা বলে, খ্রিষ্টানেরা কোনো ভিত্তির ওপরে নেই এবং খ্রিষ্টানেরা বলে, ইহুদিরা কোনো ভিত্তির ওপরে নেই।  অথচ ওরা সবাই কিতাব পাঠ করে! এমনিভাবে যারা মূর্খ, তারাও ওদের মতোই উক্তি করে থাকে।  অতএব, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাদের মধ্যে ফয়সালা দেবেন, যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করছিল।  সূরা আল বাকারাহ (আয়াত : ১২০)Ñ ইহুদি ও খ্রিষ্টানেরা কখনোই আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না, যে পর্যন্ত না আপনি তাদের ধর্মের অনুসরণ করেন।  বলে দিন, যে পথ আল্লাহ প্রদর্শন করেন, সেটাই হলো সরল পথ।  যদি আপনি তাদের আকাক্সক্ষাগুলো অনুসরণ করেন, ওই জ্ঞান লাভের পর যা আপনার কাছে পৌঁছেছে, তবে কেউ আল্লাহর কবল থেকে আপনার উদ্ধারকারী ও সাহায্যকারী নেই। 

সূরা আল বাকারাহ (আয়াত : ১৩৫)- তারা বলে, তোমরা ইহুদি অথবা খ্রিষ্টান হয়ে যাও, তবেই সুপথ পাবে।  আপনি বলুন, কখনই নয়; বরং আমরা ইব্রাহিমের ধর্মে আছি যাতে বক্রতা নেই।  সে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।  সূরা আল বাকারাহ (আয়াত : ১৪০)- অথবা তোমরা কি বলছ যে, নিশ্চয়ই ইব্রাহিম, ইসমাইল, ইসহাক, ইয়াকুব ও তাদের সন্তানেরা ইহুদি অথবা খ্রিষ্টান ছিলেন? আপনি বলে দিন, তোমরা বেশি জানো, না আল্লাহ বেশি জানেন? সূরা আল বাকারাহ (আয়াত : ১৪১)Ñ তার চাইতে অত্যাচারী কে, যে আল্লাহর পক্ষ থেকে তার কাছে প্রমাণিত সাক্ষ্যকে গোপন করে? আল্লাহ তোমাদের কর্ম সম্পর্কে বেখবর নন।  সে সম্প্রদায় অতীত হয়ে গেছে।  তারা যা করেছে, তা তাদের জন্য এবং তোমরা যা করছো, তা তোমাদের জন্য।  তাদের কর্ম সম্পর্কে তোমাদের জিজ্ঞেস করা হবে না।  সূরা আন নিসা (আয়াত : ১৬০)Ñ বস্তুত ইহুদিদের জন্য আমি হারাম করে দিয়েছি বহু পূত-পবিত্র বস্তু যা তাদের জন্য হালাল ছিল; তাদের পাপের কারণে এবং আল্লাহর পথে অধিক পরিমাণে বাধা দানের দরুন। ’

সূরা আন নিসা (আয়াত : ১৬১)- আর এ কারণে যে, তারা সুদ গ্রহণ করত, অথচ এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল এবং এ কারণে যে, তারা অপরের সম্পদ ভোগ করত অন্যায়ভাবে।  বস্তুত আমি কাফেরদের জন্য তৈরি করে রেখেছি বেদনাদায়ক আজাব।  সূরা আন নিসা (আয়াত : ১৬২)- কিন্তু যারা তাদের মধ্যে জ্ঞানপক্ব ও ঈমানদার, তারা তাও মান্য করে যা আপনার ওপর অবতীর্ণ হয়েছে এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে আপনার আগে।  আর যারা নামাজে অনুবর্তিতা পালনকারী, যারা জাকাত দানকারী এবং যারা আল্লাহ ও কিয়ামতে আস্থাশীল; বস্তুত এমন লোকদের আমি দান করব মহাপুণ্য। 

সূরা হজ (আয়াত : ১৭)- যারা মুসলমান, যারা ইহুদি, সাবেইন, খ্রিষ্টান, অগ্নিপূজক এবং যারা মুশরিক; কিয়ামতের দিন আল্লাহ অবশ্যই তাদের মধ্যে ফয়সালা করে দেবেন।  সব কিছুই আল্লাহর দৃষ্টির সামনে।  সূরা আল জুমুয়াহ (আয়াত : ৬) বলুন, হে ইহুদিরা, যদি তোমরা দাবি করো যে তোমরাই আল্লাহর বন্ধু, অন্য কোনো মানব নয়; তবে তোমরা মৃত্যু কামনা করো যদি সত্যবাদী হও।  সূরা আল জুমুয়াহ (আয়াত : ৭)- তারা নিজেদের কৃতকর্মের কারণে কখনো মৃত্যু কামনা করবে না।  আল্লাহ জালেমদের সম্পর্কে সম্যক অবগত আছেন।  সূরা আল মায়িদাহ (আয়াত : ১৪)- যারা বলে, আমরা নাসারা; আমি তাদের কাছ থেকেও তাদের অঙ্গীকার নিয়েছিলাম।  অতঃপর তারাও যে উপদেশপ্রাপ্ত হয়েছিল, তা থেকে উপকার লাভ করা ভুলে গেল।  অতঃপর আমি কিয়ামত পর্যন্ত তাদের মধ্যে পারস্পরিক শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চার করে দিয়েছি।  অবশেষে আল্লাহ তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অবহিত করবেন। 

সূরা আল মায়িদাহ (আয়াত : ১৮)- ইহুদি ও খ্রিষ্টানেরা বলে, আমরা আল্লাহর সন্তান ও তার প্রিয়জন।  আপনি বলুন, তবে তিনি তোমাদেরকে পাপের বিনিময়ে কেন শাস্তি দান করবেন? বরং তোমরাও সৃষ্ট অন্যান্য মানবের অন্তর্ভুক্ত সাধারণ মানুষ। 

তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি প্রদান করেন।  নভোমণ্ডল, ভূমণ্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তাতে আল্লাহরই আধিপত্য রয়েছে এবং তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তন করতে হবে।  সূরা আল মায়িদাহ (আয়াত : ৬৪)-আর ইহুদিরা বলে, আল্লাহর হাত বন্ধ হয়ে গেছে।  তাদেরই হাত বন্ধ হোক।  এ কথা বলার জন্য তাদের প্রতি অভিসম্পাত।  বরং তাঁর উভয় হস্ত উন্মুক্ত।  তিনি যেভাবে ইচ্ছা ব্যয় করেন।  আপনার প্রতি পালনকর্তার পক্ষ থেকে যে কালাম অবতীর্ণ হয়েছে, এর কারণে তাদের অনেকের অবাধ্যতা ও কুফর পরিবর্ধিত হবে।  আমি তাদের পরস্পরের মধ্যে কিয়ামত পর্যন্ত শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চার করে দিয়েছি।  তারা যখনই যুদ্ধের আগুন প্রজ্বলিত করে, আল্লাহ তা নির্বাপিত করে দেন।  তারা দেশে অশান্তি উৎপাদন করে বেড়ায়।  আল্লাহ অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের পছন্দ করেন না।  সূরা আল মায়িদাহ (আয়াত : ৬৯)- নিশ্চয়ই যারা মুসলমান, যারা ইহুদি, সাবেইন বা খ্রিষ্টান, তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে আল্লাহর প্রতি, কিয়ামতের প্রতি এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না। 

সূরা আল মায়িদাহ (আয়াত : ৮২) আপনি সব মানুষের চেয়ে মুসলমানদের অধিক শত্রু ইহুদি ও মুশরিকদের পাবেন এবং আপনি সবার চাইতে মুসলমানদের সাথে বন্ধুত্বে অধিক নিকটবর্তী তাদেরকে পাবেন, যারা নিজেদেরকে খ্রিষ্টান বলে।  এর কারণ এই যে, খ্রিষ্টানদের মধ্যে আলেম রয়েছে, দরবেশ রয়েছে এবং তারা অহঙ্কার করে না।  সূরা আত তাওবাহ (আয়াত : ৩০)- ইহুদিরা বলে, ওজাইর আল্লাহর ছেলে এবং নাসারারা বলে, মসিহ আল্লাহর ছেলে।  এটা হচ্ছে তাদের মুখের কথা।  এরা পূর্ববর্তী কাফেরদের মতো কথা বলে।  আল্লাহ এদের ধ্বংস করুন, এরা কোন উল্টা পথে চলে যাচ্ছে। 


সূরা আত তাওবাহ (আয়াত : ৩১)- তারা তাদের পণ্ডিত ও সংসারবিরাগীদের তাদের পালনকর্তারূপে গ্রহণ করেছে আল্লাহ ব্যতীত এবং মরিয়মের ছেলেকেও।  অথচ তারা আদিষ্ট ছিল একমাত্র মাবুদের ইবাদতের জন্য।  তিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, তারা তাঁর শরিক সাব্যস্ত করে তা থেকে তিনি পবিত্র। 
সূরা আত তাওবাহ (আয়াত : ৩২)- ‘তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূরকে নির্বাপিত করতে চায়; কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তাঁর নূরের পূর্ণতা বিধান করবেন, যদিও কাফেররা তা অপ্রীতিকর মনে করে। ’

মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর নেতৃত্ব যদিও আমেরিকাকে তোয়াজ করে চলে, বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় কিন্তু তাদের ঈমানি পরীক্ষা দিচ্ছে।  মুসলমানদের আধ্যাত্মিক রাজধানী ও প্রথম কেবলা বায়তুল মুকাদ্দাস অধ্যুষিত জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করায় পৃথিবীব্যাপী মুসলিম যে যেখানে আছে সেখান থেকেই প্রতিবাদ করছে।  এতে স্পষ্ট এখনো মুসলমানদের ঈমান আছে, এখনো তারা প্রতিবাদ করতে জানে।  ইরাকে গণহত্যা চালানোর প্রতিবাদে আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে (তার বিদায়ী সফরকালে) ইরাকের আল বাগদাদিয়া টেলিভিশনের সাংবাদিক মুনতাজের আল জাইদি প্রকাশ্যে জুতা মেরে প্রমাণ করেছিলেন, মুসলিম নেতৃত্বের অধঃপতন হতে পারে; কিন্তু সাধারণ মুসলমানদের ঈমান ও চেতনা এখনো নষ্ট হয়ে যায়নি।  ইরাকের দখলদার প্রধানমন্ত্রী (আমেরিকার তাঁবেদার) নুরি আল মালিকির নিয়ন্ত্রণাধীন ইরাকি ক্যাঙ্গারু আদালত সাংবাদিক মুনতাজের আল জাইদিকে ২০০৯ সালে তিন বছরের জন্য জেল দিয়েছিলেন।  রায় শুনে প্রকাশ্যে আদালতে জাইদির বোন রোকেইয়া চিৎকার করে বলেছিল, আমেরিকার চর প্রধানমন্ত্রী মালিকি নিপাত যাক।  তার ঈমানি দায়িত্ব থেকেই আদালতে তিনি আমেরিকার দালালদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে পেরেছিলেন। 

পৃথিবীতে প্রায় ৬০০ কোটি মানুষের অর্ধেকই মুসলমান।  ৫৬টি মুসলিম রাষ্ট্র রয়েছে যারা অর্থবিত্তে শক্তিশালী।  অথচ তাদের অনৈক্যের কারণে মুসলিম বিশ্ব আজ অসহায়।  ট্রাম্প মুসলিমবিদ্বেষী হওয়ার কারণেই একজন বিকৃতমনা জেনেও ইহুদি আমেরিকানরা তাকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছে।  মুসলমান যত দিন (আল্লাহ তায়ালার বিধান মতে) তাদের শত্রু ও বন্ধু চিহ্নিত করতে পারবে না, তত দিন পর্যন্ত বিশ্বে প্রকৃত মুসলিম নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।  ট্রাম্পের বক্তব্য সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।  মুসলিমবিরোধী শক্তিকে সন্তুষ্ট করার জন্যই ট্রাম্প জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।  এটা শুধু কথার কথা নয়, বরং গোটা মুসলিম বিশ্বের প্রতি একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ। 

শ্রদ্ধা জানাই তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে, যিনি এ ঘটনার জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছেন।  এখনই সময় গোটা মুসলিম বিশ্ব ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।  রোহিঙ্গা ইস্যু যেমন মুসলমানদের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র, অনুরূপ জেরুসালেম সস্পর্কে নিন্দিত ট্রাম্পের বক্তব্য একটি মহাষড়যন্ত্রের অংশ মাত্র।  মুসলিম বিশ্বকে ধ্বংস করার জন্য তার প্রতিপক্ষ আজ ঐক্যবদ্ধ এবং তারা সে দিকেই এগোচ্ছে, যার পরিণাম হতে পারে একটি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ।