১৭, জানুয়ারী, ২০১৮, বুধবার | | ২৯ রবিউস সানি ১৪৩৯

‘বিশ্ববিদ্যালয় কেবল পাঠদান কেন্দ্র নয় বরং তা উচ্চ শিক্ষা ও গবেষনার শ্রেষ্ঠ পাদপীঠ’- রাষ্ট্রপতি

০৭ জানুয়ারী ২০১৮, ০৭:৩৫

রায়হান মাহবুব, ইবি প্রতিনিধি: মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আব্দুল হামিদ বলেন,‘বিশ্ববিদ্যালয় কেবল পাঠদান কেন্দ্র নয় বরং তা উচ্চ শিক্ষা ও গবেষনার শ্্েরষ্ঠ পাদপীঠ।  শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণভাবে গড়ে তুলতে এবং তাদের বিশ্ব নাগরিকে পরিণত করতে বিশ্ববিদ্যাালয়ের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  তাই কারিকুলাম ভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি মুক্ত চিন্তা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা, জাতি গঠনমূলক কর্মকান্ড, সমকালীন ভাবনা,
সাংস্কৃতিক চর্চা খেলাধুলা ইত্যাদি সৃজনশীল কর্মকান্ড শিক্ষার্থীদের কেবল দক্ষ ও পরিপূর্ণ করে না, কূপমন্ডুকতার বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে এনে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনা কে পরিপুষ্ট করে। ’ “আন্তর্জাতিকীকরণের পথে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আজ ৭ জানুয়ারী   (রবিবার) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ সমাবর্তন ২০১৮ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  
ইবির বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মো: সরওয়ার মোর্শেদ ও আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরমিন খাতুনের সঞ্চালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে দুপুর সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠিত এ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান।  সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর, বিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল।   অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন  ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী।  ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান এবং শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা। 


এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির পতœী এবং তার কন্যা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, ঝিনাইদহ ১ আসনের সাংসদ আব্দুল হাই প্রমুখ।   


এর আগে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের পূর্বে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় চ্যান্সেলর মোঃ আবদুল হামিদ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নব নির্মিত সর্ববৃহৎ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল “মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব”, দেশরত্ব শেখ হাসিনা হল, শেখ রাসেল হল, বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম.এ ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান ভবন এবং দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা “সততা ফোয়ারা”র শুভ উদ্বোধন করেন।  এরপর দুপুর সাড়ে বারটায় মিনিটে সমাবর্তন শোভাযাত্রাসহ সমাবর্তন স্থলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি আগমন করেন।  


অনুষ্ঠানস্থলে সকাল সাড়ে ১০টা হতে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত  নিবন্ধিত গ্র্যাজুয়েটরা এবং বেলা সাড়ে ১১টা হতে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আমন্ত্রিত অতিথিরা আসন গ্রহণ করেন । 


প্রসঙ্গত, এবারের সমাবর্তনে  ১ হাজার ৬৩৭ জন ¯œাতক, ৭ হাজার ৪৮৮ জন ¯œাতকোত্তর, ১৩৭ জন এমফিল ও ১১০ জন পিএইচডি ডিগ্রীধারীদের মূল সনদ প্রদান করা হয়।  সর্বমোট ৯ হাজার তিন শত ৭২ জন কে সনদ প্রদান করা হয়।