২০, জানুয়ারী, ২০১৮, শনিবার | | ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে না ফিরলে স্বাধীনতা পূর্ণতা পেত না-বেরোবি উপাচার্য

০৯ জানুয়ারী ২০১৮, ০৯:৫৩

বেরোবি প্রতিনিধি: ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালনকারী শিক্ষকদের সংগঠন ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের’ উদ্যোগে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৪ এ আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।  

আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ,বিটিএফও। 

প্রধান
অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে না ফিরলে স্বাধীনতা পূর্ণতা পেত না।  তিনি প্রত্যাবর্তণ করেই যুদ্ধ বিদ্ধস্ত দেশের হাল ধরেছিলেন এবং দেশকে এগিয়ে নেয়ার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। 

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. আবু কালাম মোঃ ফরিদ উল ইসলামের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. পরিমল চন্দ্র বর্মণ।  

সংগঠনের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য এইচএম তারিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. সরিফা সালোয়া ডিনা, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. আর এম হাফিজুর রহমান, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন জনাব ফেরদৌস রহমান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. গাজী মাজহারুল আনোয়ার প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেন, স্বাধীনতা পাওয়ার পর যখন বাংলার মানুষ জাতির পিতার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন তখন ১০ জানুয়ারি তিনি দেশে ফিরলে স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষের অপেক্ষার অবসান হয়।  তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রাক্কালেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট পরাজিত শক্তির হাতে তাঁকে স্বপরিবারে প্রাণ দিতে হয়েছে।  তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে তাঁর আদর্শ লালন করে আমাদের দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। 
দিবসটি উপলক্ষে আগামীকাল সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হবে এবং পরে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার করা হবে সংগঠনের পক্ষ থেকে।