১৬, জানুয়ারী, ২০১৮, মঙ্গলবার | | ২৮ রবিউস সানি ১৪৩৯

চুল পড়ায় চিন্তিত? সমাধান তো আপনার হাতের কাছেই

১০ জানুয়ারী ২০১৮, ০৮:৫৭

চুল পড়া নিয়ে চিন্তায় যাদের ঘুম হারাম।  কি করবেন বুঝতে পারছেন না।  কিভাবে এর প্রতিরোধ করবেন ভেবে পাচ্ছেনাতো।  আর আপনাকে ভাবতে হবে না।  সমাধান হাতের কাছেই।  আপনি নিজেই সহজে  এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন। 

ঘরে বসেই ব্যবহার করতে পারেন ৮টি প্রাকৃতিক উপাদান, যা আপনার চুল পড়া বন্ধ করবে।  একই সঙ্গে ফিরিয়ে আনবে ঔজ্জ্বল্য। 

গরম তেল ম্যাসাজ:
কিছু তেল (নারিকেল বা বাদামের তেল) গরম করুন।  এরপর আঙুল দিয়ে তা মাথার ত্বকে ব্যবহার করুন।  এতে চুলের
গোড়া শক্ত হবে।  নিয়মিত ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ হবে। 

পেঁয়াজের রস:
ব্যাপক পরিমাণে সালফার সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি চুলের জন্য মহা-উপকারী।  চুলের গোড়া শক্ত করতে এর জুড়িমেলা ভার।  মাথার খুশকি দূরেও এটি মহা ঔষধ। 

পালংয়ের রস:
কথায় রয়েছে-শারীরিক সমস্যার সব সমাধান রয়েছে রান্নাঘরে।  চুল পড়া নিরাময়ের ওষুধ আছে এখানে।  নিয়মিত পালংয়ের রস (পালংশাক) ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ হয় বজ্রগতিতে।  শুধু রস নয়, এটি নিয়মিত খেলে চুলসংক্রান্ত সব সমস্যা দূর হয় নিমিষেই। 

গ্রিন টি:
এটি শুধু চুল পড়াই বন্ধ করে না।  চুল গজাতেও সহায়তা করে।  বিশ্বাস হচ্ছে না! কয়েক দিন ব্যবহার করুন না।  এরপর পরিবর্তন লক্ষ করুন। 

মেডিটেশন করুন:
স্ট্রেস বা চাপ! বলা হয়, ইংরেজি ছয় বর্ণের শব্দটিই মানবজীবনে যত সব রোগের অন্যতম কারণ।  আসলেই তাই! চুল পড়ারও অন্যতম কারণ মানসিক চাপ, অবসাদ।  এ প্রেক্ষিতে বিজ্ঞানীরা বলছেন, মেডিটেশন করলে চুল পড়ার হার ব্যাপক হারে কমে। 

আমলকি:
বলুন তো, চুলের চিকিৎসায় সবচেয়ে উপকারী ফল কোনটি? উত্তর-আমলকি।  এটি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি উপাদানে সমৃদ্ধ।  চুলের গোড়া মজবুত ও শক্তিশালী করতে এর বিকল্প নেই।  এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান খুশকি প্রতিরোধেও দারুণ ভূমিকা রাখে। 

কলা, তেল ও মধুর মিশ্রণ:
চুলের যত্নে আমরা নানা ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করে থাকি।  তবে তা চুলের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়।  এতে চুল পড়ার আশঙ্কা বাড়ে।  এক্ষেত্রে আমরা কলা, নারিকেল তেল, অলিভ ওয়েল ও মধুর মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারি।  নিয়মিত ব্যবহারে ম্যাজিকের মতো চুল পড়া কমে। 

নিমপাতা: নিমের রয়েছে বহু ঔষধি গুণ।  চুল পড়া প্রতিরোধেও এটি দারুণ কার্যকর।  এতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান।  যা চুলে গোড়া নরম করা খুশকি দূর করে পুষ্টি জোগায়।  ফলে চুল আরও প্রাণবন্ত ও শক্তিশালী হয়ে উঠে।