১৬, জানুয়ারী, ২০১৮, মঙ্গলবার | | ২৮ রবিউস সানি ১৪৩৯

তাবলিগের মুরুব্বি সাদের বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১০ জানুয়ারী ২০১৮, ০৯:০৭

তাবলিগ জামায়াতের দিল্লি মারকাজের মুরুব্বি মাওলানা সাদের কিছু বক্তব্যকে ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন আকিদা ও নীতি পরিপন্থী হিসেবে উল্লেখ করেই তাবলিগ জামাত দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।  আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে টঙ্গীতে অনুষ্ঠেয় ইজতেমায় মাওলানা সাদের আগমনের বিষয়ে দুই পক্ষই শক্ত অবস্থান নেয়।  এতে পরিস্থিত আরো জটিল হয়ে পড়ে। 

আজ বুধবার সকাল ১০টা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশের প্রধান পথে বিক্ষোভ-সমাবেশে অভিযোগ করে বিক্ষুব্ধরা। 
তাদের দাবি, মাওলানা সাদকে দিল্লিতে ফেরত পাঠাতে হবে। 

এদিকে ঢাকায় মাওলানা সাদের আগমন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন,  এটি হচ্ছে তাবলিগ জামাতের অভ্যন্তরীণ বিষয়।  আমরা এ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে চাই না।  তিনি বলেন, আমরা চাই তাবলিগ জামাতের মুরুব্বিরাই নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে এর শান্তিপূর্ণ সমাধান করবেন। 

এ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণই তাবলিগের অভ্যন্তরীণ বিষয়।  তাবলিগ জামাতের ওপর সরকারের কোনো ধরনের কর্তৃত্ব নেই।  তারপরও এ তাবলিগ জামাতের উদ্যোগ টঙ্গীতে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের অংশগ্রহণে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়।  এ ইজতেমার সঙ্গে দেশের ভাবমর্যাদা জড়িত।  এ কারণেই আমরা চাই এ বিষয়টি নিয়ে যেন আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।  মুরব্বিরা যেন নিজেরাই বসে এর সম্মানজনক সমাধান করেন। ’

উল্লেখ্য, সরকারের সিদ্ধান্ত অমান্য করে মাওলানা মোহাম্মদ সাদ তাবলিগ জামাতে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছেন, এমন বক্তব্য দিয়ে আজ বুধবার সকাল ১০টা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশের প্রধান পথে বিক্ষোভ-সমাবেশে অভিযোগ করে বিক্ষুব্ধরা।  তারা দাবি করে, মাওলানা সাদকে দিল্লিতে ফেরত পাঠাতে হবে। 

বিক্ষোভ-সমাবেশ ও অবরোধের ফলে ওই গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়তে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।  এতে সাধারণ যাত্রী ছাড়াও দেশের বাইরে থেকে আসা যাত্রীদের চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়।