১৯, ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, সোমবার | | ৩ জমাদিউস সানি ১৪৩৯

বিচারের বাণী এখন আর কাঁদেনা

১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১১:৪৬

সাংবাদিক সাগর-রুনি দম্পতির হত্যাকান্ডের আজ ছয়টি বছর পূর্ন হল।  ২০১২ সালের আজকের এই দিনে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন এই দম্পতি।  এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে ছয়টি বছর।  হত্যাকান্ডের সেই রহস্য আজো হয়নি জানা।  অথচ তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছিল ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ধরা হবে হত্যাকারীদের।  কিন্তু সাগর রুনি ওপার থেকে  এখনো সেই ৪৮ ঘন্টা কবে আসবে সেটা দেখার জন্য হয়তো অপেক্ষা করছে। 

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি
মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সারোয়ার ওরফে সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন নাহার রুনা ওরফে মেহেরুন রুনি দম্পতি হত্যাকাণ্ডের পর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।  প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। 

হত্যাকান্ডের চার দিন পর এই মামলার তদন্তভার আসে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে।  দুই মাসেরও বেশি সময় ধরেও তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি।  এরপর হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার আসে র‍্যাবের কাছে। 

অধিকতর তদন্তের জন্য এই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, রশিসহ বিভিন্ন আলামত পাঠানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফরেনসিক গবেষণাগারে।  যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনেক আলামতপ্রাপ্তির কথা জানায় র‌্যাব।  ফরেনসিকের নমুনার সঙ্গে ঢাকায় সন্দেহভাজন ২১ জনের ডিএনএ নমুনাও পাঠানো হয় যুক্তরাষ্ট্রে। 

এখন পর্যন্ত এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ৫৪ বারের মতো পিছিয়েছে।  সর্বশেষ গত ১ ফেব্রুয়ারি মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল।  তবে ওই দিন র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম মাহমুদা আক্তার ১৩ মার্চ নতুন দিন ধার্য করেন। 

মামলায় বিভিন্ন সময় আটজনকে গ্রেফতার করা হয়।  এর মধ্যে মিন্টু, কামরুল হাসান, বকুল মিয়া, রফিকুল ইসলাম আবু সাঈদ ও এনাম আহম্মেদ কারাগারে।  পলাশ রুদ্র পাল ও তানভীর রহমান হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন।