২৩, ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, শুক্রবার | | ৭ জমাদিউস সানি ১৪৩৯

খালেদা জিয়ার জন্য দু:সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৬:৫৩

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজার সংলগ্ন জগমোহনপুর এলাকায় বাসে পেট্রলবোমা নিক্ষেপের মামলায় গত ২ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ ৪৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।  সে মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। 

ওই মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে পাঠায় কুমিল্লার কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক সুব্রত ব্যানার্জি।  আজ সোববার গুলশান থানা-পুলিশ ওই মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে বলে 
জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য মো. কাইমুল হক। 

ওই মামলার বিচারকার্যের দিন ধার্য করা হয়েছে ২৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার আমলি আদালতে (চৌদ্দগ্রাম)। 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি বাস কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগমোহনপুর এলাকায় আসামাত্র দুর্বৃত্তরা পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে।  এতে ঘটনাস্থলে সাতজন ও হাসপাতালে নেওয়ার দুদিন পর আরও একজনসহ মোট আটজন মারা যান ও ২৭ জন আহত হন।  এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান হাওলাদার বাদী হলে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা করেন।  মামলা তদন্ত করেন চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই মো. ইব্রাহিম। 

এ মামলায় অভিযোগ করা হয় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও সালাউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ ও বিএনপির উপদেষ্টা সাবেক সাংসদ মনিরুল হক চৌধুরী, চৌদ্দগ্রামের জামায়াতের সাবেক সাংসদ সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির সাহাবউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. মিজানুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির শাহজাহান, চিওড়া ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমির মেজবাহ উদ্দিন ওরফে নয়ন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদাসহ ৭৮ জনকে।  খালেদা জিয়া হচ্ছেন এ মামলার ৫১ নম্বর আসামি। 

কুমিল্লার কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক সুব্রত ব্যানার্জি বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে পাঠানো হয়।  বিষয়টি এখন ঢাকার এখতিয়ারে।  আমাদের এখানে কিছু নেই। ’