ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজায় ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ারে’ ৩১ ইসরায়েলি সেনা নিহত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • ৬৯৫ বার পড়া হয়েছে

এবার গাজা উপত্যকায় আগ্রাসন চালাতে গিয়ে ভুলবশত নিজেদের ছোড়া গুলিতে (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) কমপক্ষে ৩১ জন ইসরায়েলি দখলদার সেনা নিহত হয়েছে। ইসরায়েলি আর্মি রেডিও শুক্রবার (৪ জুলাই) এ তথ্য জানিয়েছে।

সম্প্রচারক সংস্থাটির মতে, ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলের আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে অভিযান পরিচালনা সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় মোট ৭২ জন সেনা মারা গেছে। এই সংখ্যা স্থল আক্রমণের সময় নিহত ৪৪০ জন সেনার প্রায় ১৬%।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযান পরিচালনা সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মধ্যে মধ্যে ফ্রেন্ডলি ফায়ারে ৩১ জন, গোলাবারুদ-সম্পর্কিত ঘটনায় ২৩ জন, সাঁজোয়া যানে পিষ্ট হয়ে সাতজন এবং ‘অনির্দিষ্ট’ গুলিবর্ষণের ঘটনায় ছয় জন নিহত হয়। আর্মি রেডিও আরও জানিয়েছে, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে পড়ে যাওয়া এবং ইঞ্জিনিয়ারিং সরঞ্জামের ভুল ব্যবহারের কারণে ঘটেছে।

ইসরায়েলি সামরিক তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৮৮২ জন সৈন্য নিহত এবং ৬,০৩২ জন আহত হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে ৫৭,০০০ এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

মিডল ইস্ট মনিটর জানিয়েছে, গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। উপত্যকায় আগ্রাসনের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলাও চলছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ারে’ ৩১ ইসরায়েলি সেনা নিহত

আপডেট সময় ০৪:৪৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

এবার গাজা উপত্যকায় আগ্রাসন চালাতে গিয়ে ভুলবশত নিজেদের ছোড়া গুলিতে (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) কমপক্ষে ৩১ জন ইসরায়েলি দখলদার সেনা নিহত হয়েছে। ইসরায়েলি আর্মি রেডিও শুক্রবার (৪ জুলাই) এ তথ্য জানিয়েছে।

সম্প্রচারক সংস্থাটির মতে, ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলের আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে অভিযান পরিচালনা সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় মোট ৭২ জন সেনা মারা গেছে। এই সংখ্যা স্থল আক্রমণের সময় নিহত ৪৪০ জন সেনার প্রায় ১৬%।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযান পরিচালনা সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মধ্যে মধ্যে ফ্রেন্ডলি ফায়ারে ৩১ জন, গোলাবারুদ-সম্পর্কিত ঘটনায় ২৩ জন, সাঁজোয়া যানে পিষ্ট হয়ে সাতজন এবং ‘অনির্দিষ্ট’ গুলিবর্ষণের ঘটনায় ছয় জন নিহত হয়। আর্মি রেডিও আরও জানিয়েছে, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে পড়ে যাওয়া এবং ইঞ্জিনিয়ারিং সরঞ্জামের ভুল ব্যবহারের কারণে ঘটেছে।

ইসরায়েলি সামরিক তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৮৮২ জন সৈন্য নিহত এবং ৬,০৩২ জন আহত হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে ৫৭,০০০ এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

মিডল ইস্ট মনিটর জানিয়েছে, গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। উপত্যকায় আগ্রাসনের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলাও চলছে।