ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ডুবে গেছে ঘরবাড়ি, মরে গেছে খামারের মুরগি, আমার সব শেষ মেহেন্দিগঞ্জে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে হাতুড়ির আঘাতে যুবক নিহত লংগদু সেনা জোনের উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ এনসিপিকে পাবনায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা প্রবাস ফেরত হাবিব ক্যানসার থেকে বাঁচতে চান পাহাড়ি ঢল ও নদী ভাঙনে হবিগঞ্জে সাড়ে ৬ হাজার পরিবার পানিবন্দি বিএনপির প্রতিপক্ষ আ. লীগ, নিজেদের মধ্যে বিভেদ নয়: খায়রুল কবির খোকন বিশ্বকাপের মাঝেই মারা গেলেন বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া তরুণ ফুটবলার সাইরেন বাজার আগেই ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, বহু হতাহত ভারতে আয়রন ডোমের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল

বেগম খালেদা জিয়া বেতনের টাকা দিয়ে দিতেন এতিমখানায়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৬:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক প্রেস সচিব ও সিনিয়র সাংবাদিক মারুফ কামাল খান বিভিন্ন সময় বেগম জিয়ার আপসহীন মনোভাব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং তার জীবনের নানা ত্যাগ ও বেদনাময় স্মৃতির কথা তুলে ধরেছেন। এবার তার উদারতা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে একটি আগেঘন পোস্ট দেন এই সাংবাদিক। সেখানে তিনি লিখেছেন, বেগম খালেদা জিয়া বেতনের টাকা দিয়ে দিতেন এতিমখানায়।

বেগম জিয়ার স্মৃতিচারণ করে মারুফ কামাল খান লিখেছেন, সকলকে আজ একটা তথ্য দিই। বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মাত্র এক টাকা বেতন বা রেমুনারেশন নিতেন। মাইনের পুরো টাকাটাই তিনি দিয়ে দিতেন এতিমখানায়। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নিরাপোস নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া৯০এর ছাত্রগণঅভ্যুত্থানে এরশাদের পতনের পর৯১এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি লেখেন, তিনি বাংলাদেশের প্রথম এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ওই সময়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রাপ্য বেতন থেকে মাত্র এক টাকা নিয়ে বাকিটা এতিমখানায় দিয়ে দিতেন।

তিনি আরও লেখেন, পরে তিনি আবার প্রধানমন্ত্রী হন এবং দুদফায় বিরোধী দলীয় নেত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সে সময়গুলোতেও তিনি যে বেতন পেতেন, তার একটা বড় অংশ চ্যারিটিতে খরচ করতেন। দুঃস্থ, দরিদ্র ও এতিমদের সাহায্য করতেন। চিকিৎসা করাতেন। দরিদ্র পরিবারের অনেক মেধাবী সন্তানের লেখাপড়ার খরচ বহন করতেন। তবে তিনি চাইতেন না এসব প্রচার হোক।

মারুফ কামাল লেখেন, ছোট্ট একটা উদাহরণ দিই। ২০০১ সালে ম্যাডাম জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় একটি ছেলে এসএসসিতে ফার্স্ট স্ট্যান্ড করে। প্রধানমন্ত্রী জানতে পারেন ছেলেটি অতিশয় দরিদ্র পরিবারের। তাদের পক্ষে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আর্থিক সঙ্গতিহীন সেই ছেলেটির লেখাপড়ার সব ব্যয়ভার গ্রহণ করেন বেগম খালেদা জিয়া। ছেলেটি কৃতিত্বের সঙ্গে উচ্চশিক্ষা অর্জনের পর বিসিএস পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হয়। বর্তমানে সে সরকারের একজন যুগ্মসচিব।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ডুবে গেছে ঘরবাড়ি, মরে গেছে খামারের মুরগি, আমার সব শেষ

বেগম খালেদা জিয়া বেতনের টাকা দিয়ে দিতেন এতিমখানায়

আপডেট সময় ১০:১৬:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক প্রেস সচিব ও সিনিয়র সাংবাদিক মারুফ কামাল খান বিভিন্ন সময় বেগম জিয়ার আপসহীন মনোভাব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং তার জীবনের নানা ত্যাগ ও বেদনাময় স্মৃতির কথা তুলে ধরেছেন। এবার তার উদারতা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে একটি আগেঘন পোস্ট দেন এই সাংবাদিক। সেখানে তিনি লিখেছেন, বেগম খালেদা জিয়া বেতনের টাকা দিয়ে দিতেন এতিমখানায়।

বেগম জিয়ার স্মৃতিচারণ করে মারুফ কামাল খান লিখেছেন, সকলকে আজ একটা তথ্য দিই। বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মাত্র এক টাকা বেতন বা রেমুনারেশন নিতেন। মাইনের পুরো টাকাটাই তিনি দিয়ে দিতেন এতিমখানায়। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নিরাপোস নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া৯০এর ছাত্রগণঅভ্যুত্থানে এরশাদের পতনের পর৯১এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি লেখেন, তিনি বাংলাদেশের প্রথম এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ওই সময়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রাপ্য বেতন থেকে মাত্র এক টাকা নিয়ে বাকিটা এতিমখানায় দিয়ে দিতেন।

তিনি আরও লেখেন, পরে তিনি আবার প্রধানমন্ত্রী হন এবং দুদফায় বিরোধী দলীয় নেত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সে সময়গুলোতেও তিনি যে বেতন পেতেন, তার একটা বড় অংশ চ্যারিটিতে খরচ করতেন। দুঃস্থ, দরিদ্র ও এতিমদের সাহায্য করতেন। চিকিৎসা করাতেন। দরিদ্র পরিবারের অনেক মেধাবী সন্তানের লেখাপড়ার খরচ বহন করতেন। তবে তিনি চাইতেন না এসব প্রচার হোক।

মারুফ কামাল লেখেন, ছোট্ট একটা উদাহরণ দিই। ২০০১ সালে ম্যাডাম জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় একটি ছেলে এসএসসিতে ফার্স্ট স্ট্যান্ড করে। প্রধানমন্ত্রী জানতে পারেন ছেলেটি অতিশয় দরিদ্র পরিবারের। তাদের পক্ষে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আর্থিক সঙ্গতিহীন সেই ছেলেটির লেখাপড়ার সব ব্যয়ভার গ্রহণ করেন বেগম খালেদা জিয়া। ছেলেটি কৃতিত্বের সঙ্গে উচ্চশিক্ষা অর্জনের পর বিসিএস পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হয়। বর্তমানে সে সরকারের একজন যুগ্মসচিব।