ঢাকা , শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তারদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে চাঞ্চল্য

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে নতুন মোড় নিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে যুবলীগের দুই নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

 

মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলেন – মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার পূর্ব ভাকুম গ্রামের মৃত সুলতান ফকিরের ছেলে নুরুল ইসলাম (৫২) এবং সাভার পৌরসভার আনন্দপুর মহল্লার আব্দুল জলিলের ছেলে সজীব (৩২)।

 

পুলিশ জানিয়েছে, নুরুল ইসলাম সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। সজীব যুবলীগের একজন কর্মী। বর্তমানে তারা দুজনই সাভারের আনন্দপুর এলাকায় বসবাস করতেন।

 

গ্রেপ্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এনসিপির মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে চারজন আহত হন।

 

এ ঘটনায় সোমবার রাতেই এনসিপির ঢাকা জেলা উত্তর শাখার সদস্যসচিব সালামত উল্লাহ রনি বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সমাবেশ চলাকালে দুর্বৃত্তরা ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে দলের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

এদিকে ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে ঢাকা জেলা পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. জাহাঙ্গীর আলমকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান এবং সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) নূর মোহাম্মদ।

 

পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ঘটনায় আটক দুজনের সম্পৃক্ততা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভুলে ‘জয় বাংলা’ বলা এনসিপি নেতা বললেন, ‘জীবনেও আওয়ামী লীগ করিনি’

এনসিপির সমাবেশে বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তারদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে চাঞ্চল্য

আপডেট সময় ০৯:২৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে নতুন মোড় নিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে যুবলীগের দুই নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

 

মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলেন – মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার পূর্ব ভাকুম গ্রামের মৃত সুলতান ফকিরের ছেলে নুরুল ইসলাম (৫২) এবং সাভার পৌরসভার আনন্দপুর মহল্লার আব্দুল জলিলের ছেলে সজীব (৩২)।

 

পুলিশ জানিয়েছে, নুরুল ইসলাম সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। সজীব যুবলীগের একজন কর্মী। বর্তমানে তারা দুজনই সাভারের আনন্দপুর এলাকায় বসবাস করতেন।

 

গ্রেপ্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এনসিপির মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে চারজন আহত হন।

 

এ ঘটনায় সোমবার রাতেই এনসিপির ঢাকা জেলা উত্তর শাখার সদস্যসচিব সালামত উল্লাহ রনি বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সমাবেশ চলাকালে দুর্বৃত্তরা ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে দলের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

এদিকে ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে ঢাকা জেলা পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. জাহাঙ্গীর আলমকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান এবং সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) নূর মোহাম্মদ।

 

পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ঘটনায় আটক দুজনের সম্পৃক্ততা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।