ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ডুবে গেছে ঘরবাড়ি, মরে গেছে খামারের মুরগি, আমার সব শেষ মেহেন্দিগঞ্জে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে হাতুড়ির আঘাতে যুবক নিহত লংগদু সেনা জোনের উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ এনসিপিকে পাবনায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা প্রবাস ফেরত হাবিব ক্যানসার থেকে বাঁচতে চান পাহাড়ি ঢল ও নদী ভাঙনে হবিগঞ্জে সাড়ে ৬ হাজার পরিবার পানিবন্দি বিএনপির প্রতিপক্ষ আ. লীগ, নিজেদের মধ্যে বিভেদ নয়: খায়রুল কবির খোকন বিশ্বকাপের মাঝেই মারা গেলেন বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া তরুণ ফুটবলার সাইরেন বাজার আগেই ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, বহু হতাহত ভারতে আয়রন ডোমের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল

খামেনির শোকযাত্রায় দেখা মিলল নিহত আহমাদিনেজাদের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৮:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ৭৪ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শোকযাত্রায় জনসমক্ষে উপস্থিত হয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ। যুদ্ধ শুরুর পর তাকে নিয়ে মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও সোমবার(৬ জুলাই) রাজধানী তেহরানে শোকমিছিলে অংশ নিতে দেখা যায় তাকে।  কালো জ্যাকেট ও মুখে মাস্ক পরে শোকাহত মানুষের ভিড়ে হাঁটতে দেখা যায় আহমাদিনেজাদকে। যুদ্ধের প্রথম দিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময় তার বাড়ির কাছে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর কয়েকটি রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যমে তাকে নিহত বলে দাবি করা হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি জনসমক্ষে অনুপস্থিত থাকায় তার অবস্থান নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়। তবে সরকারিভাবে কখনো তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।

এদিকে খামেনির শোকযাত্রায় অংশ নেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা। অন্যদিকে ইরানের জীবিত দুই সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ও হাসান রুহানিকে শোকযাত্রায় দেখা যায়নি। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তাদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে সমালোচকদের দাবি।

নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিও এবার জনসমক্ষে উপস্থিত হননি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তবে রোববার জানাজার নামাজে খামেনির তিন ছেলে মোস্তাফা, মাসউদ ও মেইসাম সামনের সারিতে অংশ নেন। বাবার মৃত্যুর পর এই প্রথম তাদের জনসমক্ষে দেখা যায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত হেলিকপ্টার ভিডিওতে রাজধানী তেহরানজুড়ে বিপুল মানুষের সমাগম দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, জানাজা ও শোকযাত্রায় প্রায় দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন।

শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া জনতা স্লোগান দেন, আমার শহীদ নেতা, আপনার পথচলা অব্যাহত থাকবে। ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিনের সঙ্গে হামলায় নিহত তার পরিবারের সদস্যদের কফিনও একই ট্রাকে বহন করা হয়। রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শনিবার শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে। এরপর খামেনির মরদেহ তার জন্মস্থান মাশহাদে অবস্থিত ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হবে। এর আগে ইরানের কোম এবং ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় পৃথক শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ডুবে গেছে ঘরবাড়ি, মরে গেছে খামারের মুরগি, আমার সব শেষ

খামেনির শোকযাত্রায় দেখা মিলল নিহত আহমাদিনেজাদের

আপডেট সময় ১১:৫৮:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শোকযাত্রায় জনসমক্ষে উপস্থিত হয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ। যুদ্ধ শুরুর পর তাকে নিয়ে মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও সোমবার(৬ জুলাই) রাজধানী তেহরানে শোকমিছিলে অংশ নিতে দেখা যায় তাকে।  কালো জ্যাকেট ও মুখে মাস্ক পরে শোকাহত মানুষের ভিড়ে হাঁটতে দেখা যায় আহমাদিনেজাদকে। যুদ্ধের প্রথম দিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময় তার বাড়ির কাছে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর কয়েকটি রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যমে তাকে নিহত বলে দাবি করা হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি জনসমক্ষে অনুপস্থিত থাকায় তার অবস্থান নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়। তবে সরকারিভাবে কখনো তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।

এদিকে খামেনির শোকযাত্রায় অংশ নেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা। অন্যদিকে ইরানের জীবিত দুই সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ও হাসান রুহানিকে শোকযাত্রায় দেখা যায়নি। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তাদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে সমালোচকদের দাবি।

নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিও এবার জনসমক্ষে উপস্থিত হননি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তবে রোববার জানাজার নামাজে খামেনির তিন ছেলে মোস্তাফা, মাসউদ ও মেইসাম সামনের সারিতে অংশ নেন। বাবার মৃত্যুর পর এই প্রথম তাদের জনসমক্ষে দেখা যায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত হেলিকপ্টার ভিডিওতে রাজধানী তেহরানজুড়ে বিপুল মানুষের সমাগম দেখা গেছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, জানাজা ও শোকযাত্রায় প্রায় দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন।

শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া জনতা স্লোগান দেন, আমার শহীদ নেতা, আপনার পথচলা অব্যাহত থাকবে। ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিনের সঙ্গে হামলায় নিহত তার পরিবারের সদস্যদের কফিনও একই ট্রাকে বহন করা হয়। রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শনিবার শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে। এরপর খামেনির মরদেহ তার জন্মস্থান মাশহাদে অবস্থিত ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হবে। এর আগে ইরানের কোম এবং ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় পৃথক শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।