ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নির্বাচনে বিএনপি বেশি আসনে জিতবে বলে মনে করছে ৬৬ শতাংশ মানুষ চীনে ঘুষ নেয়ার অপরাধে সাবেক সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিভিন্ন পয়েন্টে বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেওয়া হবে: তারেক রহমান পদত্যাগের পরপরই দুই ছাত্র উপদেষ্টার বিষয়ে দুদকের তদন্ত চায় সাবেক সমন্বয়করা ১০ বছর নিঃসন্তান, একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দিলেন নারী বিএনপির প্রার্থী ফজলুরকে নিয়ে স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত শতাধিক রাবি শিক্ষকের পোস্টে বেগম রোকেয়াকে ‘মুরতাদ’ আখ্যা, ক্যাম্পাসজুড়ে তীব্র সমালোচনা জনগণের ম্যান্ডেট পেলে আবারও দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ের নেতৃত্ব দেবে বিএনপি: তারেক রহমান উঠান বৈঠকে হঠাৎ স্ট্রোকে বিএনপি নেতা হারুনুর রশীদের মৃত্যু ভারতের সমর্থন নয়, জনগণকে নিয়েই ক্ষমতায় যেতে চাই: হাসনাত আবদুল্লাহ

রুহুল কবির রিজভী: “বিএনপি গণতন্ত্রের চ্যাম্পিয়ন, ৭ নভেম্বরের চেতনা আজও প্রেরণার উৎস”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:১৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

 

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও রাকসুর সাবেক ভিপি রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি গণতন্ত্রের চ্যাম্পিয়ন একটি রাজনৈতিক দল। গণতন্ত্র এবং বিএনপি হলো অবিভাজ্য, এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের সঙ্গে জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সম্পর্কও একইভাবে অবিচ্ছেদ্য। তিনি বলেন, “এটাকে কখনো খণ্ডিত করা যায় না।”

বুধবার (১১ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসি ভবনে শাখা ছাত্রদলের আয়োজনে ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজভী এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের প্রশ্নে এরশাদের সঙ্গে খালেদা জিয়া কখনো আপোষ করেনি, তেমনি রক্তচোষা হাসিনার সাথেও কোনও আপোষ করেনি। সেই প্রেরণায় ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত কার্যক্রমে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। তাই ৭ নভেম্বরকে অল্প পরিসরে বলা যায় না। তিনি উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বর সত্যিকারের স্বাধীনতা এনে দেয়। স্বাধীনতার একজন তূর্য-বাদকের সাহসিকতার মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণা কার্যকর হয়, যেমন ১৯৭১ সালে মেজর জিয়া কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে ঘোষণা করেছিলেন। ৭ নভেম্বরেও একইভাবে মেজর জিয়ার নেতৃত্বে রেডিও থেকে স্বাধীনতার ডাক ভেসে ওঠে।

রিজভী আরও বলেন, “রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে সহাবস্থান তৈরি হয়েছে যা পূর্বের ফ্যাসিবাদী আমলে ছিল না। ফ্যাসিবাদ যেখানে জন্মায়, সেখানে গণতন্ত্রের কোনো স্থান থাকে না। ফ্যাসিবাদের ছোবলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নির্বাচন কমিশন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আক্রান্ত হয়। সেই সময় ক্যাম্পাসে কোনো সহাবস্থান ছিল না, ছাত্রদল নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেনি। নেতাকর্মীরা ক্লাসরুম বা লাইব্রেরিতে যাওয়া পর্যন্ত নিরাপদ ছিল না। সেই পরিস্থিতি পার হয়ে ছাত্রদল ১৫-১৬ বছর অতিক্রম করেছে।”


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে বিএনপি বেশি আসনে জিতবে বলে মনে করছে ৬৬ শতাংশ মানুষ

রুহুল কবির রিজভী: “বিএনপি গণতন্ত্রের চ্যাম্পিয়ন, ৭ নভেম্বরের চেতনা আজও প্রেরণার উৎস”

আপডেট সময় ০৮:১৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

 

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও রাকসুর সাবেক ভিপি রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি গণতন্ত্রের চ্যাম্পিয়ন একটি রাজনৈতিক দল। গণতন্ত্র এবং বিএনপি হলো অবিভাজ্য, এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের সঙ্গে জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সম্পর্কও একইভাবে অবিচ্ছেদ্য। তিনি বলেন, “এটাকে কখনো খণ্ডিত করা যায় না।”

বুধবার (১১ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসি ভবনে শাখা ছাত্রদলের আয়োজনে ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজভী এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের প্রশ্নে এরশাদের সঙ্গে খালেদা জিয়া কখনো আপোষ করেনি, তেমনি রক্তচোষা হাসিনার সাথেও কোনও আপোষ করেনি। সেই প্রেরণায় ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত কার্যক্রমে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। তাই ৭ নভেম্বরকে অল্প পরিসরে বলা যায় না। তিনি উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বর সত্যিকারের স্বাধীনতা এনে দেয়। স্বাধীনতার একজন তূর্য-বাদকের সাহসিকতার মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণা কার্যকর হয়, যেমন ১৯৭১ সালে মেজর জিয়া কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে ঘোষণা করেছিলেন। ৭ নভেম্বরেও একইভাবে মেজর জিয়ার নেতৃত্বে রেডিও থেকে স্বাধীনতার ডাক ভেসে ওঠে।

রিজভী আরও বলেন, “রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে সহাবস্থান তৈরি হয়েছে যা পূর্বের ফ্যাসিবাদী আমলে ছিল না। ফ্যাসিবাদ যেখানে জন্মায়, সেখানে গণতন্ত্রের কোনো স্থান থাকে না। ফ্যাসিবাদের ছোবলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নির্বাচন কমিশন, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আক্রান্ত হয়। সেই সময় ক্যাম্পাসে কোনো সহাবস্থান ছিল না, ছাত্রদল নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেনি। নেতাকর্মীরা ক্লাসরুম বা লাইব্রেরিতে যাওয়া পর্যন্ত নিরাপদ ছিল না। সেই পরিস্থিতি পার হয়ে ছাত্রদল ১৫-১৬ বছর অতিক্রম করেছে।”