ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর—ফলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হলে তারেক রহমানকে কবে দেশে ফিরতে হবে, তা এখন জনমনে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইসি সূত্র জানায়, নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে তারেক রহমানকে প্রথমে ভোটার হিসাবে নিবন্ধিত হতে হবে। তিনি লন্ডনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে ভোটার হতে পারবেন। এরপর মনোনয়নপত্র সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে দাখিল করা যাবে। ফলে মনোনয়ন দাখিলের ক্ষেত্রে দেশে আসার বাধ্যবাধকতা নেই।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই তার দেশে ফেরা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা চলছে। বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য জানায়নি। তবে বুধবার লক্ষ্মীপুরে এক জনসভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি দাবি করেন, তারেক রহমান ১০ দিনের মধ্যেই দেশে ফিরবেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তারেক রহমান জানান, রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না, যদিও কারণটি স্পষ্ট করেননি। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দলের নেতা “খুব শিগগিরই” দেশে ফিরছেন। তিনি নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান, তারেক রহমান দেশে ফিরলে যেন গোটা দেশ কেঁপে ওঠে এমন প্রস্তুতি নেওয়ার।
ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়ন জমার শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর; যাচাই-বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল ও নিষ্পত্তি হবে ১১ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি, প্রচার শুরু ২২ জানুয়ারি এবং ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















