ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ ছাত্রলীগ কর্মীকে বহিষ্কারের সুপারিশ

গত ১ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এহসান রফিকেরকে মারধর করে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। মারধরের ফলে তার একটি চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্রের ওপর হামলার ঘটনায় ৭ ছাত্রকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা কমিটি। তারা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় তারা হলেন, হল ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ওমর ফারুককে (মার্কেটিং বিভাগ, দ্বিতীয় বর্ষ) আজীবন। সহ-সম্পাদক মো. রুহুল আমিন বেপারী (সাংবাদিকতা বিভাগ, দ্বিতীয় বর্ষ) ও ফারদিন আহমেদ (লোকপ্রশাসন বিভাগ, দ্বিতীয় বর্ষ), উপ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান হিমেল (উর্দু বিভাগ, দ্বিতীয় বর্ষ), সদস্য সামিউল ইসলাম সামিন (সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, দ্বিতীয় বর্ষ) ও আহসান উল্লাহকে (দর্শন বিভাগ, দ্বিতীয় বর্ষ) দুই বছর। অন্যদিকে সহ-সভাপতি মো. আরিফুল ইসলামকে (শিক্ষা ও গবেষণা, চতুর্থ বর্ষ) এক বছর বহিষ্কার করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রক্টর বলেন, তাদেরকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শৃঙ্খলা কমিটি। চলতি মাসের সিন্ডিকেট সভায় তাদেরকে বহিষ্কারের জন্য সুপারিশ করা হবে। সেখানে অনুমোদিত হলে তাদের বহিষ্কার কার্যকর হবে।

এদিকে মেহেদী হাসান হিমেল, ওমর ফারুক এবং রুহুল আমিনকে ছাত্রলীগ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।