নরসিংদীর মনোহরদীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা
The news is by your side.

নরসিংদীর মনোহরদীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায়

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী ঃ নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলা লেবুতলা ইউনিয়ানে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে বর্তমান চেয়ারম্যান জাকির হোসেন আকন্দের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করাছে । ১ ফেব্রুয়ারী ওই প্রবাসীর স্ত্রী নিজেই বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের ওই গৃহবধূর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে ইরাকে অবস্থান করছেন। প্রবাসীরর স্ত্রী তার ভাসুর মোক্তার হোসেন এর নিকট পাওনা টাকা চাওয়ার কারনে ভাসুর ও সন্ত্রাসীরা প্রবাসীর স্ত্রীকে মারপিট করে টাকা ও স্বার্নালকার লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনার বিচারের জন্য গত ২৯ জানুয়ারী বিকালে প্রতিবেশী লোকদের সাথে নিয়ে লেবুতলা ইউনিয়ন কার্যালয়ে গেলে চেয়ারম্যান জাকির হোসেন আকন্দ প্রবাসীর স্ত্রী কথা শুনে, প্রবাসীর স্ত্রীর দুর্বলতার সুযোগ নিয়া আরো কথা শুনার প্রয়োজন বলে স্ত্রীর সাথে থাকা লোকদের অফিস কার্যালয়ের বাইরে চলে যাওয়ার কথা বলে। লোকজন অফিস কক্ষের বাইরে চলে গেলে এই সযোগে প্রবাসীরর স্ত্রী বিচার পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে চেয়ারম্যান কু-প্রস্তাব দেয়। প্রবাসীর স্ত্রী কু-প্রস্তাবে রাজী না হয়ে চলে আসার চেষ্টা করলে চেয়াম্যান ঐ প্রবাসীর স্ত্রীর গোপনাঙ্গে হাত দিয়ে জোরপূর্বক মাটিতে শুয়িয়ে ধর্ষনের চেষ্টা করে। এ অবস্হায় প্রবাসীর স্ত্রী কান্নাকাটি ও ডাকা-ডাকি শুরু করিলে লোকজন চলে আসে। চেয়ারম্যান প্রবাসীর স্ত্রী ধর্ষন করতে ব্যার্থ হয়ে লোকজনের মোকাবেলায় এই বিষয় নিয়ে বারাবারি না করার জন্য বিভিন্ন প্রকার হুমকি দতে থাকে। প্রবাসীর স্ত্রী লোকজন সাথে নিয়ে মনোহরদী থানায় একটি মামলা করতে আসে। মনোহরদী থানা পুলিশ মামলাটি না নিলে নরসিংদী কোর্টে এসে একটি নারী শিশু মামলা দায়ের করে যাহার মামলা নং ৮২/১৮ইং মামলা। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মনোহরদী থানাকে এজাহার করার আদেশ দেন থানা পুলিশ মামলা নিলেও চেয়ারম্যান প্রকাশ্যে গোরে বেড়ালেও গ্রেফতার করছেনা থানা পুলিশ। ফলে চেয়ারম্যান মামলা উঠিয়ে নেওয়ার জন্য গৃহবধূকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিচ্ছে। যার ফলে গৃহবধূ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান জাকির হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ভাসুরের সাথে জমি-জমা নিয়ে বিরোধের কারনে গৃহবধূ মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন। গৃহবধূর পক্ষে রায় না দেয়ার কারনে আমার বিরুদ্ধে কোর্টে একটি মিথ্যা মোকাদ্দমা দায়ের করে। মামলার ঘটনাটি সম্পুর্ন মিথ্যা। এবিষয়ে মনোহরদী থানার ওসি ফখরুদ্দিন ভূয়ার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন মামলাটি তদন্তধীন আছে। চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যহত আছে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এসব বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তপক্ষের নজর দেওয়া প্রয়োজন।