আজও রানাকে ভুলবে না বাংলাদেশ

জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার মানজারুল ইসলাম রানার আজ ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৬ মার্চ এই দিনটিতেই কলম্বোর আর প্রেমাদাসায় নামছে বাংলাদেশ দল। নিদাহাস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের বাঁচা-মরার ম্যাচ।

২০০৭ সালের এই দিনে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটার রানা। একই সঙ্গে প্রাণ যায় খুলনা বিভাগীয় দলের আরেক ক্রিকেটার সাজ্জাদুল হাসান সেতুর। পরদিনই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ। রানা-সেতুর মৃত্যুর দুঃসংবাদটি তাই বিমূঢ় করে দিয়েছিল গোটা বাংলাদেশ দলকে।

কিন্তু সেই শোককে বাংলাদেশ দল শক্তিতে পরিণত করেছিল। বিশ্বকাপে যে ভারত-বধ করেছিল বাংলাদেশ। পোর্ট অব স্পেনে বাংলাদেশের কাছে ৫ উইকেটে হেরে বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছিল শক্তিশালী ভারত।

২০১২ সালে রানার ঠিক মৃত্যুদিনে আরেকবার ভারত-বধ করেছিল বাংলাদেশ। সেটি ছিল আবার শচীন টেন্ডুলকারের শততম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরির দিন। এশিয়া কাপে ঢাকায় ২৯০ রান তাড়া করে ভারতকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টেন্ডুলকারের শততম সেঞ্চুরি ম্লান করে দিয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে এই দিনেই ঢাকায় আফগানিস্তানকে উড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ।

রানার মৃত্যুদিনে আজ আবার মাঠে নামছে বাংলাদেশ। এবার প্রতিপক্ষ অবশ্য ভারত কিংবা আফগানিস্তান নয়, শ্রীলঙ্কা। তবে আজ জিতলেই ১৮ মার্চ নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। রানার মৃত্যুদিনে আজ আবার জ্বলে উঠবে বাংলাদেশ দল এমনটাই প্রত্যাশা।