কলম্বোর ঘটনায় এবার যা বলল বিসিবি!

টাইগার দলপতি সাকিব আল হাসান দলে যোগ দিলেন, খেললেন আর জয় করলেন। তার আগমণেই বাংলাদেশ দলে পরিবেশ পরিবর্তনের হাওয়া লাগে। মাঠে খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষা গেল বদলে। যে যার জায়গা থেকে শতভাগ দিলেন। তাতে শুরুতেই শ্রীলঙ্কাকে খুব করে চেপে ধরে বাংলাদেশ। কুশাল পেরেরা ও থিসারা পেরেরার ব্যাটে সেখানে থেকে শ্রীলঙ্কা ঘুরে দাঁড়ালেও ১৫৯ রানের বেশি করতে পারেনি। এই লক্ষ্য তারা করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারের আগে ২ উইকেটে জয় পায় টাইগাররা।

বাংলাদেশ ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলটি ওয়ান বাউন্স সিগন্যাল দেন আম্পায়ার। দ্বিতীয় বলটি প্রথম বলের চেয়ে আরও উপর দিয়ে চলে যায়। কিন্তু আম্পায়ার বলটি নো বল দেননি। এ নিয়ে শুরু হয় হট্টগোল। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা আম্পায়ারের কাছে নো বলের আবেদন জানান। এ নিয়ে আম্পায়ার ও শ্রীলঙ্কা দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের কথা কাটাকাটি হয়। তারপরও আম্পায়ার বলটিকে ‘নো বল’ দেননি।

অন্যদিকে থিসারা পেরেরার সঙ্গে সাথে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করেন মাঠে পানি নিয়ে যাওয়া রিজার্ভ খেলোয়াড় নুরুল হাসান সোহান। আর তাই দু’জনকেই গুণতে হয়েছে জরিমানা। কলোম্বোতে ঘটে যাওয়া সেই ঘটনার জন্য এবার দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

আজ সন্ধ্যায় বিসিবি তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাপারে উল্লেখ করে, ‘শুক্রবার বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচে ঘটে যাওয়া অপ্রত্যাশিত ঘটনার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড অনুশোচনা প্রকাশ করছে। বোর্ড স্বীকার করছে যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাঠে খেলোয়াড়দের আচরণ গ্রহণযোগ্য ছিল না। আমরা বুঝতে পারছি যে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে অমন হয়েছে। চাপের সময় এমনটা হতেই পারে কিন্তু পেশাদারিত্বের মাত্রা এক্ষেত্রে প্রদর্শিত হয়নি। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যদের সব সময়ই ক্রিকেটের স্পিরিটের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।’

সেই সঙ্গে আরো উল্লেখ করে, ‘বিসিবি এবং শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি) বোর্ডের মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের গভীর বন্ধন বিদ্যমান। এবং দুই দেশের খেলোয়াড়ারা যে সুন্দর সম্পর্ক ভাগাভাগি করবেন তা দিন দিন আরো শক্তিশালী হবে।’

এছাড়াও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় নিয়ে বলা হয়, ‘দারুণ একটা আয়োজন নিদাহাস টি-টুয়েন্টি সিরিজের সফল সমাপ্তির জন্য আমরা মুখিয়ে আছি। এটি ছিল দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং সারা বিশ্বের ক্রিকেট ভক্তরা এটিকে ভালোভাবে নিয়েছে। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড যার জন্য প্রশংসার দাবি রাখে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এই আয়োজনের অংশ হতে পারে গর্বিত।’