বাংলা ছবি দিয়ে শুরু করলেও আর কোন বাংলা ছবি করেননি যে নায়িকা

১৯৯৬ সালে বাবা রাম মুখার্জী পরিচালিত ‘বিয়ের ফুল’ ছবির মাধ্যমে প্রথম রূপালী পর্দায় আসেন তিনি। ছবিটিতে তার নায়ক ছিলেন কলকাতার সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এরপর ১৯৯৭ সালে মায়ের অনুরোধে ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয়। ছবিটির মূখ্য চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। তিনি বলিউডের সুপারস্টার নায়িকাদের সেরা একজন রাণী মুখার্জী।

হিন্দি ছবির দুনিয়ায় জায়গা পাকাপোক্ত করে নিলেও, তার অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল কলকাতার বাংলা ছবির মাধ্যমে। ১৯৯৬ সালে বাবা রাম মুখার্জী পরিচালিত ‘বিয়ের ফুল’ ছবির মাধ্যমে প্রথম রূপালী পর্দায় আসেন রাণী। তবে এরপর তাকে আর বাংলা ছবিতে দেখা যায়নি।

রানীর বাবা রাম মুখার্জী একজন অবসরপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক। মা কৃষ্ণা চলচ্চিত্রে গান গাইতেন। ভাই রাজা মুখার্জী একজন প্রযোজক। রাণীর মাসি হলেন কলকাতার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা দেবশ্রী রায়। জাতিসত্তায় বাঙালি হলেও, রাণী ভারতীয় নাগরিক। ২০১৪ সালে তিনি বলিউডের বিখ্যাত পরিচালক ও প্রযোজক যশ চোপড়ার বড় ছেলে আদিত্য চোপড়াকে বিয়ে করেন। বাবার মতো আদিত্যও একজন নামকরা পরিচালক ও প্রযোজক।

মূলত অভিনেত্রী রাণীর উত্থান শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ সাল থেকে। ওই বছর আমির খানের বিপরীতে ‘গুলাম’ ও শাহরুখ খানের বিপরীতে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ ছবি দুটিতে তিনি অভিনয় করেন। দুটি ছবিই সুপারহিট হয়। সুপারহিট তকমা পান রাণীও। ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’র জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব-অভিনেত্রী হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান তিনি। শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে প্রথম ফিল্মফেয়ার পুরস্কারটি পান ২০০৪ সালে, ‘ব্লাক’ ছবির জন্য। ক্যারিয়ারে দুটি ফিল্মফেয়ারসহ অসংখ্য পুরস্কার তিনি লাভ করেছেন।

সর্ব শেষ নতুন তারিখ অনুযায়ী আগামী ২৩ মার্চ ২০১৮ মুক্তি পাবে ‘হিচকি’। স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যার কারণে শিক্ষকতা পেশায় নানা বাধার সম্মুখীন হওয়া নারীর লড়াই নিয়ে ছবিটি নির্মিত হয়েছে। ছবিতে সেই শিক্ষকের ভূমিকায় দেখা যাবে রাণীকে।