মাশরাফি মানে সেরা, সেরা হয়েই সুপার-সিক্সে মাশরাফি

মাশরাফি মানে সেরা, কখনো চ্যাম্পিয়ান, কখনো শীর্ষে। তিনি যে দলেই খেলেন সে দলই সেরা হয় এটা যেন এখন নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার হাতে বাংলাদেশ ক্রিকেটের নেতৃত্ব আশার পর থেকেই ক্রিকেটকে শাসন করছে বলে বলা যায়।

মাশরাফি নেতৃত্ব গত বিপিএলেসহ পাঁচটি আসরের মধ্যে চারটিতে শিরোপা জিতেতে তার দল। এরইমধ্যে শেষ হয়েছে চলতি মৌসুমের ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগের (ডিপিএল) প্রথম রাউন্ডের আসর। দল গঠনের সময় বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাকে নিয়েছিলেন এবারের লিগের নতুন দল শাইন পুকুর ক্রিকেট ক্লাব। তবে শেষ পর্যন্ত খেলা হয়নি শাইন পুকুরের হয়ে।

অদল বদল করে ৩৪ বছর বয়সী এই তারকাতে দলে নেয় আবাহনী ক্রিড়া চক্র। ধানমন্ডির ক্লাবটির হয়েই তিনি খেলছেন লিগের প্রথম ম্যাচ থেকে। বল হাতে মাশরাফি এখানেও অনন্য।

চলতি মৌসুমে দাপট দেখিয়ে যাচ্ছে পেসাররা। প্রথম পর্বের সেরা পাঁচ বোলারের চার জনই পেসার। একজন মাত্র স্পিনার।

চার পেসারের একজন মোহামেডানের কাজী অনিক আছেন দুই নম্বরে। ১১ ম্যাচে ২৮ উইকেট নেয়া অনিকের মোহামেডান উঠতে পারেনি সুপার-সিক্স রাউন্ডে। এই আসরে অনিকের গড় ছিল ১৯.১০। সেরা বোলিং ৪৯ রানে ৬ উইকেট।

তিন নম্বরে আছেন লিজেন্ড অব রুপগঞ্জের মোহাম্মদ আসিফ হাসান। বাম-হাতি এই স্পিনারের হাত ধরেই আসে লিগের প্রথম হ্যাট্রিক। ১১ ম্যাচে ১৮.২৬ গড়ে ২৩ উইকেট নিয়েছেন ২৪ বছর বয়সী আসিফ। যার সেরা বোলিং ২৩ রানে ৪ উইকেট।

এর পরেই চার আর পাঁচ নম্বরে আছে জাতীয় দলের জায়গা হারানো দুই পেসার শফিউল ইসলাম এবং মোহাম্মদ শহীদ। অগ্রণী ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে ২৩.৩৬ গড়ে শফিউল নিয়েছেন ১১ ম্যাচে ২২ উইকেট। শহীদের ১১ ম্যাচে ২৪.৪৭ গড়ে ২১ উইকেট।

লিগের প্রথম পর্ব শেষে ১১ ম্যাচে ৩০ উইকেট নিয়ে সবার শীর্ষে মাশরাফি। এই এগারো ম্যাচে চার ম্যাচে পেয়েছেন চারটির বেশি উইকেট। এক ম্যাচে করেছেন ডাবল হ্যাট্রিক। সেই ম্যাচে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে শেষ ওভারে টানা চার বলে নেন ৪ উইকেট। সেরা বোলিং ৪৪ রানে ৬ উইকেট।

লিগ থেকে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বাদ পড়ায় কাজী অনিককে ছাড়িয়ে যাবার সুযোগ আছে বাকি তিন জনের।