মৃত্যুর আগে যে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন স্টিফেন হকিং
The news is by your side.

মৃত্যুর আগে যে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন স্টিফেন হকিং

পৃথিবী আর বেশি দিন নেই ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী৷ স্টিফেন হকিং মৃত্যুর আগেই এই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন৷ কিন্তু আসলেই কি তাই কি হতে পারে পৃথিবীর। স্টিফেন হকিং এর কথায় ধ্বংসের ঘণ্টা বেজে গিয়েছে৷ আর বেশিদিন নেই৷ বিপর্যয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী৷

স্টিফেন হকিং পৃথিবীর ধ্বংস নিয়ে যে ৫ টি ভবিষ্যদ্বাণী করলেন তা নিন্মে তুলে ধরা হল-
উল্কাপাত
আর ৬০০ বছরের মধ্যেই আমরা পৃথিবীবাসীরা মারা যাব৷ উল্কাপাত ঘটবে বিশ্বজুড়ে৷ লাল হয়ে জ্বলবে গ্রহ৷ নভেম্বরে বেজিংয়ে Tencent WE Summit-এ একথা বলেছিলেন স্টিফেন হকিং৷ তিনি বলেছিলেন, ২৬০০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা দাঁড়াবে কানায় কানায়৷ ফলে বৈদ্যুতের খরচ পৃথিবীকে লাল গোলায় পরিণত করবে৷

রাজত্ব করবে রোবটরা
মানব সভ্যতার দিন শেষ হবে৷ পৃথিবীজুড়ে রাজত্ব করবে রোবটরা৷ একটি সাক্ষাৎকারে প্রফেসর হকিং একথা বলেছিলেন৷ তিনি জানিয়েছিলেন, মানুষের জায়গা নেবে মানুষেরই হাতে তৈরি রোবটরা৷ মানুষ এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরি করতে চায়৷ কিন্তু একদিনই এরই হাতের পুতুল বয়ে যাবে মানুষ৷

পারমাণবিক শক্তি ও মানুষের আক্রমণ-
অভিব্যক্তির কুপ্রভাব আর কয়েক বছরের মধ্যেই টের পাবে মানুষ৷ পারমাণবিক শক্তি নিয়ে এখন থেকেই লড়াই শুরু হয়ে গেছে৷ মানুষ এখন একে অপরকে আক্রমণ করতে চায়৷ হানাহানি শুরু হয়ে গেছে৷ এর শেষ পৃথিবীর ধ্বংস৷ সেখানে প্রযুক্তি একটি বড় অস্ত্র৷ সেই অস্ত্রগুলির মধ্যে সবচেয়ে বড় পারমাণবিক শক্তি৷ পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার এটি অন্যতম কারণ হতে পারে৷

অন্য বাসস্থান খুঁজবে মানুষ-
আর ১০০ বছর৷ তার মধ্যেই অন্য বাসস্থান খুঁজবে মানুষ৷ যদি না খোঁজে, তাহলে আবহাওয়ার পরিবর্তন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি সহ একাধিক কারণে ধ্বংস হয়ে যাবে মানবসমাজ৷

নতুন পরিকল্পনা হতে পারে ধ্বংসের কারণ-
নতুন পরিকল্পনাকে সবসময়ই স্বাগত৷ কিন্তু এমন কিছু আইডিয়া আসতে চলেছে যা পৃথিবীর ধ্বংসের কারণ হতে পারে৷ এমনটাই বলেছিলেন স্টিফেন হকিং৷ সময় যত এগোবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি তত উন্নত হবে৷ ফলে পারমাণবিক যুদ্ধ, বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জেনেটিকালি ইঞ্জিনিয়ারড ভাইরাস বাড়বে৷ আর তার ফলে ধ্বংস হতে পারে পৃথিবী৷