হাঁস মুরগি নয় ডিম দিল পাহাড় !
The news is by your side.

হাঁস মুরগি নয় ডিম দিল পাহাড় !

হাঁস, মুরগি, কচ্ছপ, পাখ-পাখালি, সাপ তো ডিম পেড়েই থাকে। কিন্তু কোনও অজৈব পদার্থ? তেমন আজব এক খবর সম্প্রতি জানাল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কিউরিওসিটি.কম।

চিনের গুইঝোউ প্রদেশের গুলু নামের এক গ্রামের কাছে এক পর্বতগাত্র ডিম পাড়ছে, এই মর্মে একটি পোস্ট ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে সম্প্রতি। হিতু মায়াত তিন নামের জনৈক ব্যক্তি এই পর্বতগাত্রের একটি ছবি পোস্ট করলে তা নিয়ে হইচই শুরু হয়। দিব্বি মসৃণ, রং-বেরংয়ের ডিমের মতো আকৃতির পাথর পাহাড়ের খাড়া এবং এবড়ো-খেবড়ো গায়ে ‘গজিয়ে উঠছে’ বেশ কয়েক বছর ধরেই। স্থানীয় মানুষ এই পাহাড়ের নামকরণ করেছেন ‘চ্যান ড্যান ইয়া’ বা ‘ডিম-পাড়া পাহাড়’। কোথা থেকে এবং কী করে এই ‘ডিম’ গজাচ্ছে, তা নিয়ে রীতিমতো রহস্য দানা বেঁধেছে ওই এলাকায়।

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ভূতাত্ত্বিকরা বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু করেছেন। ১৯ ফুট উঁচু এবং ৬৫ ফুট চওড়া এই পর্বতগাত্র ৫০০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এতে ক্যালসিয়াম কার্বনেট বেশি বলে তাঁরা জানিয়েছেন। ক্যালসিয়াম কার্বনেট আর কিছুই নয় আমাদের চিরচেনা চক বা খড়ি। অপেক্ষাকৃত নরম খড়িপাথর দীর্ঘদিন ধরে চাপে থাকলে পিণ্ড পাকিয়ে এই রকম ভাবে ঠেলে বেরিয়ে আসতে পারে। আর পাথরের মধ্যে থাকা অন্য ধাতু বা রাসায়ানিক তাকে বিভিন্ন রং প্রদান করে।

ভূতাত্ত্বিকরা আরও জানাচ্ছেন, এই ‘ডিম’গুলি এক সময়ে পর্বতগাত্র থেকে খসেই পড়ে। আবার নতুন ‘ডিম’ অন্য জায়গায় ফুটে ওঠে।

আপাতত ‘চ্যান ড্যান ইয়া’ রীতিমতো আকর্ষণ করছে পর্যটকদের। ভিড় বাড়ছে গুলু গ্রামের আশপাশে।