৩১ কোটি টাকা পানিতে ভেসে গেল স্মিথ-ওয়ার্নারের!

বল টেম্পারিং কলঙ্ক গায়ে মেখে স্মিথ এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পান আইসিসি থেকে। তার আগেই সরে দাঁড়ান অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কের পদ থেকে। তবে বড় শাস্তিটা পেয়েছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) থেকে। স্মিথের সঙ্গে ওয়ার্নারকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেলার আশাও শেষ স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারের। টি২০ ক্রিকেটের সবচেয়ে জমজমাট এই লিগের দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মোটা অঙ্কের টাকা গচ্চা যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ান দুই ক্রিকেটারের।

জাতীয় দল ও অস্ট্রেলিয়ান ঘরোয়া লিগে নিষিদ্ধ হলেও ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগে খেলার পথ খোলা ছিল স্মিথ ও ওয়ার্নারের। তাতে আইপিএলে খেলার আশাও ছিল বেঁচে। কিন্তু কুড়ি ওভারের এই লিগও বন্ধ করে দিয়েছে দরজা। আর এখানেই অর্থের দিক থেকে সবচেয়ে বড় কোপটা পড়েছে অস্ট্রেলিয়ান দুই ক্রিকেটারের ওপর। সামনের আইপিএল খেলতে না পারায় ৩১ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে স্মিথ-ওয়ার্নারের।

এই সময়ে জাতীয় দল ও অস্ট্রেলিয়ান ঘরোয়া লিগে খেলতে পারবেন না তারা। তবে বাইরের লিগে খেলার অনুমতি ছিল, কারণ সিএ শুধু তার অধীনে থাকা জায়গাগুলোতেই নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। আইপিএলের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগ কিংবা কাউন্টি যেহেতু সিএ’র হস্তক্ষেপের মধ্যে পড়ে না, তাই সেখানকার দরজা খোলা ছিল স্মিথ-ওয়ার্নারের।

কিন্তু ‘স্প্রিরিট অব ক্রিকেট’ ও ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ ঠিক রাখতে আইপিএল ‘কলঙ্কমুক্ত’ থাকতে চেয়েছে। তাই বল টেম্পারিংয়ের মতো জঘন্য অপরাধকে তারা জায়গা দেয়নি। দ্য কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের (সিওএ) সঙ্গে আলোচনা করে আইপিএল কর্তৃপক্ষ নিষিদ্ধ করেছে স্মিথ ও ওয়ার্নারকে। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে স্মিথকে ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সিতে ওয়ার্নারকে দেখা যাবে না সামনের আসরে।

দুজন ছিলেন দুই ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়ক। এবারের নিলামেও ওঠেননি দুজনের কেউই। রাজস্থান ধরে রেখেছিল স্মিথকে আর হায়দরাবাদ ছাড়েনি তাদের অধিনায়ককে। নিলামে না উঠলেও স্মিথ ও ওয়ার্নারের লিগ ফি ধরা হয়েছিল ১২ কোটি রুপি করে (বাংলাদেশি টাকায় সাড়ে ১৫ কোটি)। কিন্তু প্রতিযোগিতায় নিষিদ্ধ হওয়ায় মোটা অঙ্কের এই টাকা ‘জলে গেল’ তাদের।