লালপুরে শিক্ষার্থীকে নিয়ে উধাও হওয়া শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

মোঃ আশিকুর রহমান টুটুল, নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া হাকিমুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীকে নিয়ে উধাও হওয়া অভিযুক্ত গণিতের শিক্ষক মামুন হোসেনের বিরুদ্ধে অপহরন মামলা করেছে। রোবিবার (২৬ আগষ্ট) রাতে ভুক্তভুগি শিক্ষর্থী বাবা আব্দুল মান্নান বাদি হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মামুনসহ দুইজন কে অজ্ঞতনামা করে লালপুর থানায় এই মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর সোমবার (২৭ আগস্ট) লালপুর পুলিশ শিক্ষার্থী মেহেরুন্নেছা মাহিকে ডাক্তারী পরীক্ষাসহ ২২ ধারা জবানবন্দি গ্রহণের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল ও আদালতে প্রেরণ করেছে। এর আগে রোবিবার দুধুপুরে বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এক জরুরী বৈঠকে অভিযুক্ত শিক্ষক মামনু হোসেন কে সাময়িক বরখাস্ত করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক মামুন হোসেনের সঙ্গে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি পরিস্থিতির স্বীকার। এব্যাপারে লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েল মামলার বিষয় নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভুগি শিক্ষর্থীর বাবা আব্দুল মান্নান বাদি হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় একটি অপহরন মামলা দায়ের করেছেন। সোমবার ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষা সহ জবানবন্দী গ্রহণের জন্য আদালতে পাঠনো হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক আছে।এ বিষয়ে আইনি সকল প্রকার পক্রিয়া অব্যহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে, প্রেমের টানে গত শুক্রবার রাতে লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া হাকিমুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণীর অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থী মেহেরুন্নেছা মাহি কে নিয়ে একই প্রতিষ্ঠানের গণিত বিভাগের শিক্ষক মামুন হোসেন পালিয়ে যান। পরের দিন শনিবার এই ঘটনা লোকমুখে জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

ঐদিন শনিবার রাতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেন এবং তৎক্ষনিক উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক মামুন হোসেন কে সাময়িক বরখাস্তের আশ্বাস দেন। তবে সেই শিক্ষক এখনো পলাতক রয়েছে।