অধ্যক্ষ সাজুকে হুমকি দেওয়া প্রগতিশীল গোষ্ঠির হুমকির নামান্তর-ইবি প্রেসক্লাব সভাপতি

ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রগতিশীল সাংবাদিক সংগঠন প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল হোসাইন রুদ্র বলেছেন অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজুকে হুমকি দেওয়া মানে প্রগতিশীল গোষ্ঠিকে হুমকি দেওয়ার অভিপ্রয়াশ। ইবি শাখা ছাত্রলীগ ও প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের (স্বাশিপ) অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু কে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। তার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩ টায় ইবি প্রেসক্লাবের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস কর্ণারে এক প্রতিবাদ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, এ হুমকি প্রগতিশীল মানুষদের মুখ বন্ধ করার অভিপ্রয়াশ। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। একইসাথে সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, অপপ্রকারকারী ও হুমকিদাতাদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হোক। ইবি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আসিফ খানের পরিচালনায় এ প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি জুয়েল হোসেন তনু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ফেরদাউসুর রহমান সোহাগ, দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত তিমির, কোষাধ্যক্ষ সরকার মাসুম, প্রচার সম্পাদক এর আর রাশেদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক তারিকুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক রুমি নোমান, কার্যনির্বাহী সদস্য আবু হুরায়রা, সদস্য আহসান নাইম, মাহবুব রায়হান, মুতাছিম বিল্লাহ পাপ্পু প্রমুখ।

গত ৪ আগস্ট আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন শাহজাহান আলম সাজু। এতে তিনি উল্লেখ করেন-এই মিথ্যাচারের শেষ কোথায়? এদের রুখে দাঁড়ান। আজ ৪ আগস্ট দুপুরে আমি আওয়ামী লীগের ধানমন্ডিস্হ কার্যালয়ে ছিলাম। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সহ দলের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই তখন সেখানে ছিলেন। আমি দুপুর দুইটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত সেখানে ছিলাম।

এর মধ্যে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঢুকেপড়া সন্ত্রাসীরা অন্তত তিন দফা আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা করে। উক্ত হামলায় আহত অন্তত দশজন আওয়ামী লীগ কর্মীকে আমি নিজ চোখে দেখেছি। আমার সঙ্গী স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা পান্না ভাইও সামান্য আহত হয়েছেন। এই অবস্থায় কর্মীরা বার বার নেতাদের কাছে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করলেও তাদের নিরুৎসাহিত করা হয়।

অথচ পার্টি অফিসে বসেই ফেইসবুকে দেখলাম ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীরা নাকি আন্দোলনকারী চারজন ছাত্রকে হত্যা এবং চারজন ছাত্রীকে রেপ করে পার্টি অফিসে আটকে রেখেছে। কারা এই নির্লজ্জ মিথ্যাচার ও গুজব ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলছে? তাদের উদ্দেশ্য কি? এদের রুখে দাঁড়ান। ফেসবুকে এই স্ট্যাটাসের জের ধরে অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজুকে বিভিন্ন ভাবে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।