জুয়ারু স্বামীর নির্যাতনের নুরজাহান

নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার গড়মাটি গ্রামের সাংবাদিক নুরজাহান (৩৫) জুয়ারু স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে থানায় মামলা ও সাংবাদিকদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে। তিনি অনলাইন পত্রিকা নয়াবর্তার বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি। মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাংবাদিক নুরজাহান বড়াইগ্রাম কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার বক্তব্যে বলেন, তার বিয়ে হয় গোপালপুর গ্রামের মৃত তজিদ্দিনের ছেলে আঃ আওয়াল (৪৫) এর সাথে ৫লক্ষ টাকা দেনমহর ধার্য্য করে বিয়ে হয় গত ১০/০৯/২০১৪ইং তারিখে।

বিয়ের পর থেকে শুরু হয় যৌতুকের দাবী, আর যৌতুক না দেওয়ার কারনে সাংবাদিক নুরজাহানকে শারিরীক অত্যাচার করতে থাকে স্বামী আওয়াল। অত্যাচার সইতে না পেরে স্বামীকে ২লক্ষ টাকা গ্রামীন ব্যাংক এন, জি, ও থেকে উঠিয়ে দেন সাংবাদিক নুরজাহান। সেই টাকা আওয়াল জুয়া আর সুন্দরী নারীদের পিছনে শেষ করে, এবং টাকার জন্য নুরজাহানকে আবার শুরু অত্যাচার করে। পরে অত্যাচার সইতে না পেরে নুরজাহান কোর্টে মামলা করে। উক্ত মামলায় আওয়াল ২২ দিন নাটোর জেল হাজতে থাকে এবং নির্যাতন না করার মুসলিকা কোর্টে দিয়ে বের হয়ে এসে পুনোরায় আবার তাদের দুই জনের সংসার জীবন শুরু করে নুরজাহানের স্বামী।

এবং সংসার শুরুর আগে তারা নতুন করে ১লক্ষ ৭৫হাজার টাকা দেনমহোর ধার্য করে আবার দুইজন বিয়ে করে ১৮/০৪/২০১৮ইং তারিখে। কিছুদিন পরে আবার শুরু হয় অমানষিক অত্যাচার এবং আবার টাকা দাবী করে নুরজাহানকে মারধর করে। অত্যাচার সইতে না পেরে নুরজাহান আবার পি, সি, ডি এন, জি ও থেকে ১লক্ষ টাকা উঠিয়ে তার স্বামী আওয়ালকে দিতে বাধ্য হয়। সেই টাকা গুলো আবার জুয়া ও সুন্দরী নারীদের পিছনে শেষ করে আবর নুরজাহান কে অত্যাচার শুরু করে।

পরিশেষে নুরজাহান তাহার স্বামীর অত্যাচার সইতে না পেরে ১৫/০৯/২০১৮ইং তারিখে বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করে। এবং নুরজাহান সংবাদ সম্মেলনে তার বক্তব্যে বলেন নেশার জগতে এমন কোন নেশা নাই যাহা আওয়াল করেন না। তার কাজ শুধু নেশা আর সুন্দরী মেয়েদের নিয়ে সময় কাটানো এবং তার সহযোগিতা করেন তার বড় বউ তাসলিমা বেগম।

এ ব্যাপারে বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীলিপ কুমার দা কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, সাংবাদিক নুরজাহান থানায় মামলা করেছেন এবং মামলার তদন্তের ভার এস আই মামুনের উপর দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।