নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষের সংবাদ সম্মেলন

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় তার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে। গত ২৬ শে সেপ্টেম্বর দৈনিক সমকাল ও অনলাইন পত্রিকায় “নন্দীগ্রামে কলেজ সরকারী করণের নামে টাকা আত্মসাৎ” শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে উক্ত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম বলেন, মনসুর হোসেন ডিগ্রী কলেজের কতিপয় সুবিধাবাদী প্রভাষক/শিক্ষকদের স্বার্থের ব্যাঘাত ঘটায় তারা আমার বিরুদ্ধে এ ধরণের মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। প্রকৃতপক্ষে অভিযোগকারী বিএম শাখার সহকারী অধ্যাপক জুলফিকার আলী ভুট্রো নন্দীগ্রাম পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

সে নিজের ইচ্ছে মতো কলেজে আগমন ও প্রস্থান করে। তাকে নির্ধারিত সময়ে কলেজে আগমন, প্রস্থান ও ক্লাশ নেয়ার কথা বলা হলে সে আমার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়। এবং জেনারেল শাখার প্রভাষক মোকসেদ আলী সে নিজে নন্দীগ্রাম বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত মোমিন’স কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। তাকে কোচিং ছেড়ে দিয়ে নিয়মিত ক্লাশে মনোযোগ দেয়ার কথা বলায় সেও আমার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়। এছাড়াও প্রভাষক মোকসেদ আলী পরীক্ষা সংক্রান্ত কমিটিতে থাকার জন্য জোর তদবির করে। কিন্তু আমি পরীক্ষার প্রশ্নের গোপনীয়তা রক্ষার্থে তাকে ওই কমিটিতে রাখি নাই। কারণ সে একটি প্রাইভেট কোচিং এর পরিচালক। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে।

যা স্থানীয়রা অবগত আছেন। এ সকল কারণে জেনারেল ও বিএম শাখার কিছু প্রভাষক/শিক্ষকদের নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। যার কোন সত্যতা নেই। এছাড়াও তারা জাতীয়করণের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে কলেজের কয়েক জন প্রভাষক/কর্মচারীর নিকট থেকে ওই অভিযোগে স্বাক্ষর করে নিয়েছে মর্মে স্বাক্ষকারী গণ আমাকে লিখিত প্রত্যয়ন দিয়েছে।

আমি কলেজ জাতীয়করণের জন্য কোন টাকা উত্তোলন করিনি। সবাই অবগত আছেন যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী প্রতিটি উপজেলার একটি করে কলেজ জাতীয়করণ করা হবে। যা নিয়মতান্ত্রিক ভাবেই হবে। তাই এ ব্যাপারে কাউকে টাকা দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আইনগতভাবে কলেজ জাতীয়করণের প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে।