নন্দীগ্রামে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের বাড়ি পাচ্ছে ৯০টি অসহায় পরিবার
The news is by your side.

নন্দীগ্রামে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের বাড়ি পাচ্ছে ৯০টি অসহায় পরিবার

অদ্বৈত কুমার আকাশ, নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের “জমি আছে ঘর নেই” প্রকল্পের আওতায় বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ৯০ টি অসহায় পরিবার মাথা গোজার ঠাঁই পাচ্ছে। প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। এ মাসেই ঘরগুলো হস্তান্তর করা সম্ভব হবে। তবে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে কোন প্রকার অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না বলে সংশ্লিষ্টদের কঠোর বার্তা দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আখতার।

উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় নন্দীগ্রাম উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৫ টি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ২টি করে মোট ৯০ টি ঘর নির্মানের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। বারান্দাসহ ১৫ ফুট প্রস্থ ও ১৬ ফুট দৈর্ঘ প্রতিটি ঘর ও টয়লেট নির্মাণ বাবদ এক লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ঘর নির্মাণ বাবদ ১২ ফুট খুঁটি ১২টি ও ১০ ফুট খুঁটি ৯ টি ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিয়ম অনুযায়ী যার জমি আছে কিন্তু কোন ঘর নেই এই প্রকল্পের মাধ্যমে শুধুমাত্র সেই ব্যক্তিই ঘর পাবেন। এই প্রকল্পের আওতায় তালিকাভুক্ত উপজেলার দাতমানিকা গ্রামের মবেদ আলী, কৈগাড়ী গ্রামের হামিদা বেগম জানায় তাদের মাথা গোঁজার কোন ঠাঁই ছিল না, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছেন, ঘর পেয়ে তারা খুব খুশি।

থালতা মাজগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন জানান, তার ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় “জমি আছে ঘর নেই” প্রকল্পের ঘর নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রতিটি ঘর পরিপত্র মোতাবেক নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ঘর ও টয়লেট তৈরির জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার এক লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার ও প্রকল্পের সদস্য সচিব আবু তাহের জানান, উপজেলার ৯০ টি ঘর নির্মাণের জন্য ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের দিকে। সিডিউল অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা: শারমিন আখতার বলেন, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারি বিধি মেনে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠিত কমিটি যাচাই বাছাই করে মালামাল ক্রয় করছেন এবং ঘর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করছেন। এ ক্ষেত্রে কোন প্রকার অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। আমি সার্বক্ষনিক মনিটরিংয়ের মাধ্যমে যথাযথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নে চেষ্টা করছি। তবে কোথাও কোন ত্রুটি পাওয়া গেলে নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও এই প্রকল্পের কাজ তদারকি করা হচ্ছে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন।