পিরোজপুরে পরিষদ কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় ৫ ইউপি সদস্যসহ আহত ৬ জন – আটক ৪

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলায় দুর্বৃত্তদের হামলায় ৫ ইউপি সদস্যসহ ৬ জন আহত হয়েছে। সোমবার সকাল ১১ টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা কদমতলা ইউনিয়ন পরিষদের সভা চলাকালীন সময়ে পরিষদে ঢুকে এ হামলা চালায়। দুর্বৃত্তরা কদমতলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল খান (৪০), ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনিস সেখ, ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আল মামুন হাওলাদার, ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাবুল সেখ, ও ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন সহ ৬ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে আটক করেছে।

আহত ইউপি সদস্য আল মামুন হাওলাদার বলেন, সকালে ইউনিয়ন পরিষদে জেলেদের চাল দেয়ার তালিকা করার বিষয়ে সভা চলছিল। মিটিং এ চেয়ারম্যানের সাথে সদস্যদের কথাকাটাকাটির এক পর্যায় সকাল ১১ টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই হাবিব খানের নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী চাপাতি, দা, চাইনিজ কুড়াল নিয়ে অতর্কিতভাবে পরিষদের সভা কক্ষে হামলা করে ইউপি সদস্য সোহেল খানকে এলোপাথারীভাবে কোপাতে থাকে। এ সময় সোহেল খানকে রক্ষা করতে গেলে হামলাকারীরা উপস্থিত অন্য সদস্যদেরও কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে।

পিরোজপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো: রাসেল মিয়া জানান, মারাত্মক আহত ইউপি সদস্য সোহেল খানকে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক গভীর কোপের চিহ্ন রয়েছে। সর্বশেষ তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা থেকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে বলে জানান ইউপি মেম্বর জাহাঙ্গীর হোসেন।

কদমতলা ইউপি চেয়ারম্যান হানিফ খানের নম্বরে একাধিকবার চেস্টা করলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিরোজপুর সদর সার্কেল আহমেদ মাইনুল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। তবে এ ব্যাপরে এখনও কোন অভিযোগ দায়ের হয়নাই। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।