রাজশাহী-৪ বিএনপিতে নিশ্চিত আবু হেনা

আলিফ হোসেন, তানোরঃ রাজশাহী-৪ সংসদীয় আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের আলোচনায় উঠে এসেছে (সাবেক) সাংসদ, প্রবীণ ও বর্ষিয়ান রজনীতিবিদ, কলাম লেখক বিএনপি নেতা আবু হেনা। এদিকে বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে আবু হেনা ফিরে আশায় তাকে ঘিরে বিএনপির রজনীতিতে ফের প্রাণচা ল্য ফিরে এসছে নেতাকর্মীরা যেনো ফিরে পেয়েছেন প্রাণ। আর আবু হেনার ফিরে আশায় জমে উঠেছে রাজনীতির মাঠ এবার সেয়ানে সেয়ানে লড়াই হবে বলে অভিমত দিয়েছে তৃণমূল। এসব বিবেচনায় বিএনপিতে আবু হেনার মনোনয়ন প্রায় নিশ্চিত বলে স্থানীয় বিএনপির একাধিক জৈষ্ঠ নেতা এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, আবু হেনার হাতের ছোঁয়ায় এক সময়ের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, পশ্চাদপদ ও পিছিয়ে পড়া বাগমারা আধূনিক বাগমারায় রুপান্তরিত হয়েছে। আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৭১’র মুক্তিযুদ্ধ ও ৯০’র গণঅভূখ্যান প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে আবু হেনার অবদান রয়েছে। এছাড়াও বাগমারার রাজনীতিতে তিনি যে সহাবস্থান সৃষ্টি করে ছিলেন এখন সেটিও অনেকটা উধাও উন্নয়ন কর্মকান্ডও অনেকটা গতিহীন মন্থর। ফলে তার হাতে গড়ে উঠা আধূনিক বাগমারার এমন পরিস্থিতি তাকে অনেকটা বিচলিত করেছে।

যে কারণে বাগমারার উন্নয়নে আবারো অবদান রাখার পাশাপাশি নিজেকে সম্পৃক্ত করতে আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে রাজনীতির মাঠে ফের প্রত্যাবর্তন করেছেন। আর তাঁর প্রত্যাবর্তনে বিএনপির রাজনীতিতে নাটকিয় পরির্তন লক্ষ্য করা গেছে। বাগমারা বিএনপির রাজনীতিতে এতোদিন চাকরি ও ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা কারণে যে সকল নেতাকর্মী নিস্ক্রীয় ছিল তারা আবারো নবউদ্যোমে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ফিরে এসেছে প্রাণচা ল্য। ইতমধ্যে বিএনপির হাইকমান্ড তাকে দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে বলে বাগমারা বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, রাজশাহী-৪ সংসদীয় আসনটি বাগমারা-মোহনপুর দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত হলেও পরবর্তীতে মোহনপুরকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র বাগমারা উপজেলা নিয়ে রাজশাহী-৪ সংসদীয় আসন নির্ধারণ করা হয়। এদিকে নব্বই দশক পর্যন্ত বাগমারা উপজেলা ছিল অনেকটা অন্ধকারাচ্ছন্ন, দূর্গম, প্রত্যন্ত ও নিভৃত পল্লী এলাকা এখানে এক কিলোমিটার রাস্তাও পাকা ছিল না। কিšত্ত নব্বই দশকে বর্ষিয়ান, মেধাবী, কর্মী ও জনবান্ধব রাজনৈতিক নেতা আবু হেনা বিএনপির মনোনয়নে পর পর দু’বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার পরে খূলে যায় বাগমারাবাসির ভাগ্য।

তাঁর হাতে আধূনিক বাগমারা গড়ে উঠে। বিএনপির বর্ষিয়ান, প্রবীণ ও ত্যাগী নেতা (সাবেক) সাংসদ আবু হেনার হাতে প্রায় দুশ’ কিলোমিটার পাকা রাস্তা, ছোট-বড় মিলে প্রায় দুশ’টি ব্রিজ-কালভ্রাট, প্রায় শতভাগ বিদ্যুৎ ও স্কুল-কলেজ-মাদরাসাসহ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশপাশি হাজারো বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে নিয়েছেন। এসব কারণে দলমত নির্বিশেষে বাগমারার সব শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে আবু হেনা এখানো সমান জনপ্রিয়। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে বাগমারাবাসি আবারো আবু হেনাকে এমপি হিসেবে দেখতে চাই।