বান্দরবানে মহান বিজয় দিবস উদযাপন শুভ উদ্বোধন জনাব,মো:দাউদুল ইসলাম জেলা প্রশাসক

চাইথোয়াইমং মারমা রুদ্র, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধিঃ বান্দরবানে জেলা স্টেডিয়ামের ১৬ ইং ডিসেম্বর সকাল ৯:৪৫ মিনিটে মহান মুক্তি যুদ্ধ উপলক্ষে শহীদের প্রতি সালাম বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী মধ্যে দিয়ে ও বেলুন উড়িয়ে শুভ উদ্বোধন করেন জনাব, মো:দাউদুল ইসলাম জেলা প্রশাসকসহ পুলিশ সুপার জনাব, মো: জাকির হোসেন মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পুলিশ লাইন ইনচার্জ, সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা, আনসার ভিডিপি এ্যাডজুট্যান্ট, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, জেলা প্রশাসনের নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট, জনপ্রতিনিধি স্কুল কলেজ সরকারী, বেসরকারী প্রধান শিক্ষক সহ বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শুভ উদ্বোধনে জেলা প্রশাসক বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ শহীদের প্রতি বিনস্র শ্রদ্ধাঞ্জলী জানাই। উক্ত অনুষ্ঠান শুরুতে মহান বিজয় দিবসের দেশরত্ন বোধক গানের মধ্য দিয়ে বান্দরবান স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রীরা ডিসপ্লে সহ প্রদর্শন করেন। এরপর সাত লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে সবুজের লাল পতাকা পেয়েছি, একটা নিদির্ষ্ট ভুখন্ড পেয়েছি, একটি রাষ্ট্র পেয়েছি, স্বাধীন সার্বভৌমত পেয়েছি, দেশের জন্য কত যে, মাবোন, ইজ্জত, নির্যাতন, খুন, স্বীকারে পরিনত, এই দেশকে রাজাকার আলবদলরা, স্বাধীনতা বিরুদ্ধীতা করেছিল এবং তারা পাকহানাদার পশ্চিম পাকিস্তানদের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে এদেশের হাজার হাজার নিরহ ঘরবাড়িসহ পুড়িয়ে দিয়েছে। তাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃতে ও আহবানে জনতারা এগিয়ে এসে পশ্চিম পাকহানাদের সাথে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ চাঁর নেতা নিহত হন। দেশের জন্য যারা প্রাণ দিলেন আমার মাঝে নেই, তারা অমর ও নিবেদিতা প্রাণ আমরা শ্রদ্ধেয় সাথে শরণ করছি। আমরা কোনদিন ভুলতে পারবনা।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিল, কিন্তু তাকে নির্মম ভাবে এদেশের রাজাকার আলবদলরা নির্মম ভাবে হত্যা করেছিল।

পাকহানাদার বাহিনীর সাথে নয় মাস যুদ্ধে করেছি। মুক্তি যুদ্ধের কৃষকসহ নানা পেশাজীবিরা অংশগ্রহণ করেন। বর্তমানে তাহার স্বপ্ন পূরণের লক্ষে, বঙ্গবন্ধু, স্যাটালেট, বঙ্গবন্ধু সেতু, পারমানবিক কেন্দ্র স্থাপন, বিভিন্ন ফ্লাই ওভারসহ ডিজিটালে বাংলাদেশ উন্নয়ন দিকে এগোচছে বলে জেলা প্রশাসক মন্তব্য করেন।

এতে বানদরবান জেলায় সকল সরকারী বেসরকারী স্কুল, কলেজ,মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র/ছাত্রীরা মুক্তি যুদ্ধের চেতনা রাষ্ট্রের গার্ড অব অনারসহ সংস্কৃতি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রদশর্ণী করা হয়।

এমতাবস্থায় রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার, জেলা পুলিশ লাইন মহিলা পুলিশ দল, গ্রাম আনসার ভিডিপি দল, ফায়ার সার্ভিস দল, সহ অংশগ্রহন করেন। শেষান্তে প্রধান অথিতিরা অংশগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানকে ১ম, ২য়, তয়, সহ বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।