রাজশাহী-১ ফারুক চৌধূরীর বিজয় নিশ্চিত

আলিফ হোসেন, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে দুই বারের সংসদ সদস্য, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং (সাবেক) শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীর ওপরেই আস্থা ও ভরসা রেখে আওয়ামী লীগ ফের তাকেই দলীয় মনোনয়ন দিয়ে বিজয়ী হবার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে।

এদিকে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা, গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে তিনি ইতমধ্যে নির্বাচনী মাঠে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে বিজয়ী হবার দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে বা প্রায় নিশ্চিত রয়েছেন। অথচ বিএনপি অভ্যন্তরীণ কোন্দল, মতবিরোধ ও প্রার্থীর ইমেজ সংকটসহ নানা কারণে তারা গুছিয়ে এখানো নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় নামতেই পারেনি। বিশিষ্ট জনদের ভাষ্য, প্রায় দু’বছর আগেই আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীকে ফের মনোনয়ন দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছিল।

এদিকে মনোনয়ন তো তিনি পেয়েছেন এবার সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তার বিজয়ী হবার সম্ভবনাও অত্যন্ত উজ্জ্বল বা অনেকটা নিশ্চিত। রাজনৈতিক সহাবস্থান সুষ্টি, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ, উন্নয়নের মানসিকতা, রাজনৈতিক দূরদর্শীতা, কর্মী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে এখানো তিনি দলমত নির্বিশেষে তৃষমূলের সাধারণ মানুষের মধ্যে পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন এসব বিবেচনায় নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া তার সময়ের ব্যাপার মাত্র অভিমত তৃণমূলের।

এছাড়াও দুটি কারণে এই জনপদের সাধারণ মানুষ এখানো এমপি ফারুক চৌধূরীকে তাদেরই প্রতিনিধি মনে করেন, প্রখমত তিনি কখানো ভোট নেয়ার জন্য মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেন না দ্বিতীয়ত তিনি সব মানুষের উপকার করতে না পারলেও তার দ্বারা এই জনপদের কোনো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি এটা কেউ বলতেও পারবেন না।

এছাড়াও দেশের যেই উন্নয়ন ও অর্জন তাতে আওয়ামী লীগ আবারো সরকার গঠন বরবে এটা নিশ্চিত সাধারণ মানুষ তাহলে কেনো বিরোধী প্রার্থীদের ভোট দিয়ে উন্নয়ন বঞ্চিত হবে এসব বিবেচনায় এবারো ওমর ফারুক চৌধূরী বিজয়ী হবেন এটা প্রায় নিশ্চিত। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, বেশ কিছু সুনিদ্রিষ্ট বিষয়ের কারণে আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীর বিজয়ী প্রায় নিশ্চিত। যার মধ্যে প্রথমত দলে নেতৃত্ব নিয়ে প্রতিযোগীতা থাকলেও নৌকার বিজয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।

দ্বিতীয়ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকারের যেই উন্নয়ন ও অর্জন রয়েছে তাতে আওয়ামী লীগ আবারো সরকার গঠন করবে এটা প্রায় নিশ্চিত।

তৃতীয়ত এই জনপদের মানুষ সরকার দলীয় নেতাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চাই সেই বিবেচনায় ফারুক চৌধূরীর বিজয়ী হওয়া প্রায় নিশ্চিত কারণ সরকার দলীয় নেতা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে না পারলে কি বেদনা সেটা রাজশাহী মহানগরবাসি সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে হারিয়ে একবার হাঁড়ে হাঁড়ে টের পেয়েছিলেন, আর তানোর পৌরবাসী তো প্রায় কুড়ি বছর ধরে সেই বেদনা বয়ে চলেছে।

চতুর্থ কারণ এখানে বিএনপিতে চরম দলীয়কোন্দল ও মতবিরোধ রয়েছে ব্যারিস্টার আমিনুল হক প্রার্থী হলেও বিএনপি-জামায়াত টানাপোড়েন, অধ্যাপক শাহাদাৎ হোসেন শাহীন, এসকে মার্কনী ও বিএনপির একটি বড় অংশের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে ব্যারিস্টার আমিনুলের ওপর নাখোশ রয়েছে এরা তার বিজয় ঠেকাতে স্বপক্ষ ত্যাগ করতেও প্রস্তুত।

তাছাড়া জামায়াত তাদের অস্থিত্ব ধরে রাখতে ব্যারিস্টারের বিরোধীতা করবে এটাও প্রায় নিশ্চিত। কারণ জামায়াতের (ভারপ্রাপ্ত) আমির ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে প্রার্থী না করায় জামায়াতের নেতাকর্মীরা ভোট প্রদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও আলোচনা রয়েছে।

বিএনপি-জামায়াত টানপোড়েন ও বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল মতবিরোধ এবং সর্বোপরি সরকার দলীয় প্রার্থীকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার যেই পরিকল্পনা রয়েছে এই জনপদের মানুষের তাতে এসব বিবেচনায় এখানে আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী এমপি ওমর ফারুক চৌধূরী আবারো নির্বাচিত হবেন এটা প্রায় নিশ্চিত বলে এই জনপদের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। আর এই জনপদের সাধারণ মানুষ এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে এবার সরকার দলীয় প্রার্থীকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছেন।