বগুড়ার শেরপুরে চাঁদার দাবীতে এনজিও অফিস ভাংচুর

বাদশা আলম, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুরের গাড়িদহ দশমাইল এলাকায় ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবী, মারপিট, এনজিও অফিস ভাংচুর ও টাকা লুটের ঘটনায় গত ১৫ জানুয়ারী মঙ্গলবার রাতে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান ওরফে মতিসহ ১২জনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় মামলাদায়ের হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার গাড়িদহ মডেল ইউনিয়নের দড়িপাড়া গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে ঠিকাদার ও ফ্রেন্ডস ডেভলমেন্টঅর্গানাইজেশন(এনজিও) পরিচালক হাফিজার রহমান ওরফে টিটু বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমী একটি পুরাতন ভবনের সংস্কার কাজের আদেশ পায়।

সংস্কার কাজ শুরুর আগেই খবর পেয়ে একই ইউনিয়নের গাড়িদহ মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মোমিন মুন্সীর ছেলে গাড়িদহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান ওরফে মতি গত মঙ্গলবার দুপুরে ওই ঠিকাদার টিটু’র কাছে মোবাইল ফোনে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে এবং সন্ধ্যার মধ্যে দাবীকৃত চাঁদার অর্থ না দিলে গুলিকরে মেরে ফেলার হুমকীও দেয় ওই ঠিকাদারকে।

এর প্রেক্ষিতে ওইদিন সন্ধ্যাসাড়ে ৭টার দিকে মতির নেতৃত্বে সন্ত্রাসী ডিকে মোমিন, সিদ্দিকুর রহমান, আমিনুর রহমান ও আল-আমিন সহ অজ্ঞাত ৭/৮ জনদেশীয় অস্ত্র নিয়ে দশমাইল এলাকায় টিটু’র ঠিকাদারী অফিস ওফ্রেন্ডস ডেভলমেন্ট অর্গানাইজেশন(এনজিও) কার্যালয়ে চাঁদার টাকার জন্য।

এ সময় ওই ঠিকাদার চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা এনজিও অফিসের আসবাবপত্র ভাংচুর করে স্টীলের আলমিরার ড্রয়ারে রাখা ঠিকাদারী কাজের ৫ লাখ এবং এনজিও’র সঞ্চয় আদায়ের প্রায় ৭৬ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই ঠিকাদার ও এনজিও পরিচালক হাফিজার রহমান টিটু বাদী হয়ে ওই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মতিউর রহমান মতিসহ ১২জন কে আসামী করে শেরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এ প্রসঙ্গে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হুমায়ুন কবীর জানান, কিছু দুস্কৃতকারী বাদির কাছে চাঁদা দাবী ও অফিস ভাংচুর করার ঘটনায় মামলা রুজ্জু করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।