মণিরামপুরে বন্ধক রাখা কানের দুল নিয়ে রং পানে গৃহবধুর আত্মহত্যা

আজিজুর রহমান, সোহানা ফেরদৌস সুইটি, কেশবপুর: মণিরামপুরে বন্ধক রাখা কানের দুল নিয়ে পিংকি রানী দাস (২০) নামের এক গৃহবধু হাজার পাওয়ারের রং পান করে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ওই গৃহবধুকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে কর্মরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় কেশবপুর থানায় একটি অপমৃত্য মামলা হয়েছে। যার নং-২। তারিখ ২৫/১/১৯। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর মর্গে প্রেরণ করেছে।

জানা গেছে মণিরামপুর উপজেলার জামলা গ্রামের লালন দাসের স্ত্রী পিংকি রানী দাসের সাথে তার স্বামীর প্রায় সময় ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। পিংকি রানী দাসের ভাই স্বপন কুমার দাস সাংবাদিকদের জানান, “আমার বোন পিংকি রানী দাসের স্বর্ণের কানের দুল তার স্বামী লালন দাস বন্ধক রাখে। বন্ধক রাখা স্বর্ণের দুল নিয়ে শুক্রবার সকালে তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ শুরু হয়।

ঝগড়া-বিবাদের এক পর্যায়ে স্বামীর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে পিংকি বাড়িতে থাকা হলি খেলার হাজার পাওয়ারের রং পান করে। ওই সময় দ্রুত তাকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”

এব্যাপারে পিংকি রানী দাসের স্বামী লালন দাস জানান, বন্ধকীকানের দুলকে কেন্দ্র করে আমার স্ত্রী রাগা-রাগি করে আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে রং পান করে আত্মহত্যা করে।

এব্যাপারে কেশবপুর থানার এস আই সুপ্রভাত বলেন, পিংকি রানী দাসের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।