রাজশাহীর বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রংপুর রাইডার্স

চলছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএল ষষ্ঠ আসরের খেলা। এদিকে দিন যতো গড়াচ্ছে ততোই জমে উঠছে বিপিএল। এদিকে আজ রাজশাহী কিংসকে গুঁড়িয়ে টানা পঞ্চম জয় পেল রংপুর রাইডার্স। আর সব মিলিয়ে সপ্তম জয় পেল রংপুর রাইডার্স। আর উঠে গেল টেবিলের শীর্ষেও।

এদিকে মঙ্গলবার রাতের ম্যাচে আগে ব্যাট করে রান পেতে মাথা খুটে মরেছে রাজশাহী। সেখানে রান তাড়ায় গিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজদের বোলিং সত্ত্বেও বিন্দুমাত্র সমস্যা হয়নি রংপুরের। চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রাজশাহীর দেওয়া ১৪২ রানের লক্ষ্য সহজেই পেরিয়ে যায় রংপুর। বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটে জিতেছে রংপুর রাইডার্স।

এদিকে রংপুরকে জেতাতে আগের ম্যাচে দুর্দান্ত জুটি গড়েছিলেন ভিলিয়ার্স আর আলেক্স হেলস। এবার ভিলিয়ার্স রুশোর সঙ্গে মিলে গড়েছেন চোখ ধাঁধানো আরেক জুটি। রংপুরের চার ‘আতঙ্কের’ অন্যতম ক্রিস গেইল অবশ্য এদিনও ছিলেন মলিন। ১৪ বল খেয়ে কোনরকমে ১০ রান করে মিরাজের কাছে হয়েছেন কুপোকাত। হেলসও টেকেননি বেশিক্ষণ।

কিন্তু ওতে আর চিন্তার কিছু হয়নি বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। টুর্নামেন্টে সেরা ফর্মে থাকা রুশোর সঙ্গে মিলে ঝড় তুলেন স্বদেশী ভিলিয়ার্স। ৪৩ বলে ৭১ রানের জুটির পর ফিফটি (৫৫) করা রুশোর বিদায়ে ভাঙে জুটি। তখন জিততে বড় কোন সংশয় ছিল না রংপুর। রুশোর পথ ধরে ২৭ বলে ৩৭ রান করে ভিলিয়ার্সও আউট হয়ে যান। তবে তখন জিততে দরকার মাত্র ১৫। সেই রান অনায়াসে তুলেছেন মোহাম্মদ মিঠুন আর নাহিদুল ইসলাম।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ঝড়ের আভাস দিয়েই ফেরেন জনসন চার্লস। মুমিনুল হক এসেই ফেরত যান। সৌম্য সরকার ছিলেন খোলসবন্দি। দলের উপরও বাড়ছিল চাপ। খোলস ছেড়ে বেরুতে গিয়েই ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনিও। কেবল ছন্দে ছিলেন লরি ইভান্স। তার ব্যাটেই জুতসই সংগ্রহের আশা দেখছিল রাজশাহী।

শহীদুলের বলে চিতার ক্ষিপ্রতায় তার ক্যাচ জমান নাহিদুল। ধুঁকতে থাকা রাজশাহীর তখন যায় যায় দশা। ফজলে মাহমুদ আর কাইস আহমেদ মিলে সেখান থেকে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিলেন কিন্তু তাতেও দেড়শো ছুঁতে পারেনি কিংস। ওই রান যে রংপুরের বিস্ফোরক ব্যাটিং লাইনআপের জন্য কিছুই নয় তা টের পাওয়া গেছে খানিক পর।