শেষ পর্যন্ত শপথ নিচ্ছেন সুলতান মনসুর-মোকাব্বির

৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এই মধ্যে সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করলো দলটি। কিন্তু এখনও শপথ নেয়নি বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের থেকে বিজয়ীরা। ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে তাদের সংসদ সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাবে এবং ওইসব আসনে উপ-নির্বাচন দিতে হবে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে থেকে নির্বাচিত হয়েছে ৮ জন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে প্রতিনিধিরা শপথ না নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে সেই সিদ্ধান্ত থেকে থেকে সরে এসেছেন ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে জয়ী দুই জনপ্রতিনিধি। সেই হিসেবে এই দু’জনেই শপথ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দুজন হলেন, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ও গণফোরাম নেতা মোকাব্বির খান।

শপথ নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকসু সাবেক ভিপি ও আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সুলতান মনসুর।

তিনি বলেন, আমি বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ হয়ে বিশ্রামে আছি। এই সময়টাতে আমার নির্বাচনী এলাকা জনগণ, যারা শত ঝুঁকি নিয়েও আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন তাদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সারাদেশের অনেক নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মতও আমি নিয়েছি। আমি একজন মানুষও পাইনি যিনি আমার শপথের বিপক্ষে। সবাই একবাক্যে বলেছেন আমার নির্বাচনী এলাকার জনরায়কে মূল্য দিয়ে শপথ নিতে। যেহেতু জনগণের জন্য রাজনীতি করি সেহেতু জনগণের মতামতকে মূল্য দিতে হবে।

সুলতান মনসুর বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের যেমন আমার প্রতি প্রত্যাশা রয়েছে, তেমনি আমারও দায়বদ্ধতা রয়েছে তাদের মতের প্রতি।’

শপথ নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে মোকাব্বির খান বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথ নেয়ার বিষয়ে আমার নেতা ড. কামাল হোসেন সবসময় ইতিবাচক। আমরা দু’জনই (সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির) শপথ নেব।

সুলতান মনসুর মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করেছেন। আর সিলেট-২ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন গণফোরামের মোকাব্বির খান। তিনি ঐক্যফ্রন্টের সমর্থন নিয়ে উদীয়মান সূর্য প্রতীকে নির্বাচন করে জয়ী হয়েছেন।