সিলেটে শ্লীলতাহানির অপমান সইতেনা পেরে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

আবুল হোসেন, সিলেট প্রতিনিধি: সিলেট নগরীর পশ্চিম কাজল শাহ মঈনুনেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী পপি বেগম(১৭)কে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে ওই এলাকার বখাটেরা প্রায়ই উত্তক্ত করতো।

সর্বশেষ গত রোববার (২০ জানুয়ারি) রাস্তা অবরোধ করে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে বখাটেরা। শ্লীলতাহানির অপমান সইতে না পেরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে পপি বেগম। আত্মহননকারী স্কুল ছাএী পপি বেগম (১৭) সিলেট নগরীর ১৭ নং ভাতালিয়ার দেলওয়ার হোসেনের কন্যা।

বর্তমানে সে পশ্চিম কাজলশাহ ৮৮ মুন্না কুঠির ৫ম তলার বাসিন্দা। নিহত পপির আত্মীয় স্বজনদের বরাত দিয়ে কোতোয়ালি থানার এস আই দেবাংশু বলেন, রবিবার বিকেল ৪টার দিকে পপি বেগম পরিবারের অজান্তে তার বর্তমানে বাসায় ফিলিং সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

এসময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দরজা খুলে তাকে উদ্বার করে দ্রুত ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে ডাক্তারতাকে মৃত ঘোষনা করেন। পরে পুলিশ তার লাশ উদ্বার করে ওসমানি মর্গে প্রেরণ করেছে। পরে স্কুল ছাএী পপি বেগম মা রফা বেগম বাদী হয়ে সিলেট নগরীর কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি অপমৃত্য মামলা দায়ের করেন।

তার মা রফা বেগম জনান, এলাকার কিছু চিহ্নিত বকাটে আমার মেয়েকে উত্তাক্ত ও শ্লীলতাহানি করত। প্রায়ই বাসায় এসে আমার মেয়ে কান্নাকাটি করত। ফলে আমি এ ব্যাপারে কোতয়ালি থানায় একাধিক জিডি করি পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সিলেট আদালতে মামলা করি। তার পরেও আমার মেয়েকে তাদের হাত থেকে বাচাতে পারিনি। অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে।

এ ব্যাপারে থানার ওসি মোঃ সেলিম মিয়া বলেন, স্কুল ছাএী পপি বেগম এর মা রফা বেগম বাদি হয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করছেন তদন্ত ক্রমে ব্যবস্থা গ্রহণকরা হবে।