স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে চর-কচুয়াখালীর নারীরা

জাহিদুল ইসলাম দুলাল, লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: চর-কচুয়াখালী, প্রায় শত বছর আগে ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে উঠে বিচ্ছিন্ন এ চরটি।

১৯৮০ সাল থেকে কয়েকটি পরিবারের বসতির মধ্যদিয়ে এখানে মানুষের বসবাস শুরু হলেও ১৯৯০ সাল থেকে এখানে বাড়তে থাকে মানুষের সংখ্যা, শুরু হয় ঘন বসতি।

তবে এ চরের মানুষ এখন পর্যন্ত পায়নি স্বাস্থ্য সেবা। যার কারণে পুরুষদের চেয়েও মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে চর কচুয়াখালীর নারীরা। তারা গর্ভকালীন সময়ে পায় না সঠিক কোনো পরার্মশ। যার জন্য সন্তান প্রসবের সময় নানা সমস্যার সম্মুখিন হতে হয় তাদের। এমনকি চর কচুয়াখালীতে কোনো স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা না থাকার কারণে জটিল সমস্যা হলে গভীর রাতেও তাদের ফাঁড়ি দিতে হয় উত্তাল তেঁতুলিয়া।

এই তেঁতুলিয়া নদী চর-কচুয়াখালী থেকে ফাঁড়ি দেওয়ার মাধ্যম মাছ ধরা ট্রলার অথবা খেয়া। মাঝে মাঝে এসব সংকটের কারণে অনেকে মৃত্যু’র দিকে দাবিত হচ্ছেন। চর-কচুয়াখালীর বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে এখানে একটি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের দাবী করেছেন তারা।

কচুয়াখালীর গৃহবধূ নাজমা, রোকসেনা, ফাহিমা ও জান্নাত জানান, এখানে স্বাস্থ্য সেবার কোনো ব্যবস্থানা থাকার কারণে আমাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে। আমরা স্বাস্থ্য বিষয়ক ভালো কোনো পরামর্শ পাচ্ছি না। যার কারণে আমাদের অনেক বিষয়ই অজানা থেকে যায়।

প্রসবকালীন সময়েও আমাদের অনেক সমস্যা হয়। এমনকি নবজাতক শিশুদের জন্যও এখানে নেই কোনো টিকা কেন্দ্র। তাই আমাদের দাবী শিগগিরই যেনো এসব সমস্যার সমাধাণ করা হয়।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান রুমি বলেন, আমি চরে পরিদর্শনে গিয়ে সেখানের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য সেবার বিষয়টি নিশ্চিত করতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে সমাধানের চেষ্টা করবো।