এমন বিদায়ের পর মুশফিক বললেন ‘এটা গর্বের’

অবশেষে ঢাকা ডায়নামাইটসের কাছে হেরে চতুর্থ দল হিসেবে বিপিএল যাত্রা শেষ হল চিটাগাং ভাইকিংসের। গতকাল এলিমিনেটর ম্যাচে চিটাগাং ভাইকিংস ঢাকা ডায়নামাইটসের কাছে হেরেছে ৬ উইকেটে। এদিকে ষষ্ঠ বিপিএলে চিটাগং ভাইকিংসের শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। টুর্নামেন্টের প্রথম ছয় ম্যাচের পাঁচটিই জিতেছিল মুশফিকুর রহিমের দল চিটাগাং ভাইকিংস। কিন্তু তারপরের সাত ম্যাচে চিটাগং জিততে পেরেছে মাত্র এক ম্যাচ!

এদিকে গতকাল এলিমিনেটর ম্যাচে ঢাকা ডায়মাইটসের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে পড়েছে চিটাগং। কিন্তু তারপরও মুশফিকুর রহিম বলছেন চিটাগংয়ের জন্য এবারের টুর্নামেন্টটা গর্বের। অভিজ্ঞ ক্রিকেটার এমন দাবি অবশ্য করতেই পারেন। দল গোছাতে খুব বেশি অর্থ খরচ করেনি চিটাগং।

তাছাড়া অন্য দলগুলো যেখানে টি-টোয়েন্টির বিশ্বনন্দিত ক্রিকেটারদের দলে এনে ভিড় জমিয়েছে সেখানে চিটাগংয়ে ‘বড় তারকা’ নেই বললেই চলে। এমন দল নিয়ে শেষ চারে যাওয়াটা তো কম অর্জনের নয়। আর ম্যাচ শেষে মুশফিকুর রহিম বোঝাতে চাইলেন সেটাই।

এদিকে বড় হার প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠলে মুশফিক বলেন, ‘একটা ভালো প্রতিযোগিতাপূর্ণ ম্যাচ হবে, সেটাই সবার প্রত্যাশা করেছিলাম। উইকেট ভালো ছিল। আমরা ১৬০ রানের মত করতে পারলেও ঢাকাকে চাপে রাখতে পারতাম। সেটা হয়নি। আর আমাদের উপরের সারির ব্যাটসম্যানদের ছোট ছোট ভুল হয়েছে। কিছু ব্যাটসম্যান উইকেটে সেট হয়েও বড় রান করতে পারেনি। এমন দলের বিপক্ষে এত ভুল করলে জেতা কঠিন হয়। সেদিক থেকে হতাশার। তবে সবমিলিয়ে বলব যে দল নিয়ে টুর্নামেন্ট খেলেছে ভাইকিংস তাদে এতদূর আসতে পারাটা অবশ্যই গর্বের বিষয়।’

এ সময় মুশফিক আরও বলেন, ‘আমাদের লাইনআপে এক্সপ্রেস বোলার বা হাইকোয়ালিটি বোলার ছিলো না। ভালো খেলোয়াড় হয়তো ছিলো। কিন্তু তারা সেভাবে পারফর্ম করতে পারেনি। সিকান্দার রাজা, ডেলপোর্ট আগে এখানে (বিপিএল) খুব ভালো খেলেছে কিন্তু এবার সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেনি। আবার রবি ফ্রাইলিঙ্ক প্রতাশার চেয়েও ভালো খেলেছে। আমাদের স্থানীয়রা অনভিজ্ঞ। বিদেশিরা যদি আরো একটু ভালো খেলতো, তাহলে আমরা হয়তো আরও ভালো করতে পারতাম।’