মাত্র এক ম্যাচ খেলেই সবার শীর্ষে নাদিফ চৌধুরী

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএলে) ৬ষ্ঠ আসরে ঢাকা ডায়নামাইটসের কাছে হেরে ফাইনালে ওঠতে ব্যর্থ হয় গতবারের শিরোপা জয়ী মাশরাফির রংপুর রাইডার্সে। ৫ উইকেটে হারে তারা। আর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে প্রথমবার মাঠে নেমেছিলেন ঘরোয়া ক্রিকেটের বেশ পরিচিত মুখ নাদিফ চৌধুরী।

ক্রিজ গেইলের সঙ্গে ওপেনিং করতে নেমে টর্নেডো ইনিংস শুরু করেন। শুভাগত হোমের এক ওভারে পরপর তিনটি ছক্কা হাঁকান। তবে পরে বলে আবারও ছক্কা হাকাতে গিয়ে পোলার্ডে হাতে ধরা পড়ে বিদায় নেন। আউট হওয়ার আগে ১২ বলে ২৭ রানের ছোট্ট ইনিংসটা দিয়ে চিনিয়ে গেছেন নিজের জাত। আর এতেই মুগ্ধ বনে গেছেন রাইডার্সদের দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা। যদিও নাদিফ আউট হওয়ার পরপরই রংপুরের ব্যাটিং লাইনাপে ধস নামে।

টুর্নামেন্টের অলিখিত সেমিফাইনালে মারুফের পরিবর্তে নেমে ৩ ছক্কা ও ২টা চারের সাহায্যে ১২ বলে ২৭ রানের ছোট্ট ইনিংসটি দিয়েই কুড়িয়েছেন বাহবা। তাইতো ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসে নাদিফকে প্রশংসা বন্যাতে ভাসিয়ে মাশরাফি।

মাশরাফি বলেন, ‘নাদিফকে দেখে আমি সত্যিই অনেক বিস্মিত হয়েছি। সত্যি বলতে রুবেলকে ওভার দ্যা টপ খেলা, রাসেলকে পুল খেলেছে। অ্যাটলিস্ট চেষ্টা চালিয়েছে। একই সময়ে অফস্পিনে যেভাবে অ্যাটাক করেছে সত্যিই অসাধারাণ।’

রাইডার্সদের দলপতি আরও জানান, ‘এইটা সত্যি কথা যে অনেকেই চিন্তা করতে পারে নাদিফের বয়স হয়েছে আমাদের কাছাকাছি। তবে সত্যি বলতে এভাবে খেলতে পারলে সে আরও অনেকদিন খেলতে পারবে উচ্চ পর্যায়ের ক্রিকেটে।’

আর এই একটি ম্যাচে সদ্য শেষ হওয়া বিপিএলে আসরে দেশিয় ক্রিকেটাদের চেয়ে সবার শীর্ষে নাদিফ চৌধুরী। তার উপরে শুধু বিদেশি ক্রিকেটার লাসিথ মালিঙ্গা। এক ম্যাচ খেলে ব্যাটিং স্ট্রাইক রেটে দেশিয়দের মধ্যে সবার শীর্ষে তিনি। নাদিফ চৌধুরীর স্ট্রাইক রেট ২২৫। আর সবার শীর্ষে থাকা মালিঙ্গার স্ট্রাইক রেট ২ ম্যাচে ২৫০।